ঢাকাঃ ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের সাথে কক্সবাজারের রেল যোগাযোগব্যবস্থা চালু হবে, বলেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম। সেই লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে।
রেলমন্ত্রী ২২ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের শহরতলির ঝিলংজায় নির্মাণাধীন ঝিনুক আকৃতির রেলস্টেশনের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১২৮ কিলোমিটার রেলপথের রামু অংশের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন।
ইতিমধ্যে সাত কিলোমিটার রেলপথ বসানো হয়েছে। রেলপথ নির্মাণকাজের অগ্রগতি ৬৪ শতাংশ, যা সন্তোষজনক। এ রেলপথ চালু হলে ‘পর্যটন রাজধানী’ কক্সবাজারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ পর্যটকদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। মন্ত্রী বলেন, পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এ রেলপথে পৃথক ট্রেন চালু করা হবে।
রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম আরও বলেন, চকরিয়া থেকে মহেশখালীর মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পে যাতায়াত এবং সেখানকার গভীর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত হবে ১৮ কিলোমিটারের আরেকটি নতুন রেললাইন। এতে অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
মন্ত্রী প্রথমে কক্সবাজার শহরতলির ঝিলংজার চান্দের পাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন রেলস্টেশন পরিদর্শন করেন। এরপর রামুর কয়েকটি নির্মাণাধীন ব্রিজ, রামুর জংশন এলাকা পরিদর্শন শেষে রামু রশিদ নগর এলাকায় ছয় কিলোমিটার রেললাইন পরিদর্শন করেন।
এ সময় কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার, রেললাইন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৩ সেপ্টেম্বর রামুর পানির ছড়া এলাকার রেলওয়ে ট্রাক নির্মাণের অগ্রগতি পরিদর্শন, চকরিয়ার ডুলাহাজারায় নির্মাণাধীন রেলস্টেশন ভবনসহ অন্যান্য স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সড়কপথে রেলমন্ত্রীর চট্টগ্রামে যাওয়ার কথা রয়েছে।