অপরিকল্পিত নগরায়ন ও আবর্জনার শহর কক্সবাজার!

মনিটর ডেস্ক রিপোর্ট Date: 28 September, 2021
অপরিকল্পিত নগরায়ন ও আবর্জনার শহর কক্সবাজার!

দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার। বছরে কোটি পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয় বিশ্বের এই দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। পর্যটক ছাড়াও দেশি-বিদেশি শতাধিক আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা অস্থায়ীভাবে বাস করেন এই শহরে। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে অপরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারণ হচ্ছে শহরটি। ফলে বিশ্বমানের পর্যটকবান্ধব নগরী না হয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে শহরটি। 
বাৎসরিক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হলেও পর্যটন নগরীকে ঘিরে আলাদাভাবে নজর দেওয়া হয়নি। নেই কেন্দ্রীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। গড়ে তোলা হয়নি সুয়ারেজ সিস্টেম। পয়োবর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ; ভাঙাচোরা সড়কে নাজুক নগর জীবন।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)মোঃ আমিন আল পারভেজ বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন, বিষয়টি সত্য তবে উন্নতিকল্পে জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিকবার সভা করেছেন এবং এ অবস্থা নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে সাতশো হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউজ ও কটেজ গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ৬টি তারকা হোটেলসহ ২৪টি বড় হোটেল রয়েছে। এছাড়া আড়াই শতাধিক রেস্তোরাঁও আছে এখানে। তবে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। ফলে দিনদিন নানাবিধ নাগরিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ-প্রতিবেশ। সমুদ্রের জীববৈচিত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ, মো: তানভীর হাসান রেজাউল,অপরিকল্পিত নগরায়ন  বিষয়ে  বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন,আমরা ২ বছরের যে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছি তা বাস্তবায়িত হলে এ অবস্থা অনেকাংশে কেটে যাবে। তিনি বলেন, ২৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। এই সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও পযর্টকদের সাময়িক ভোগান্তি পোহাতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে আমাদের প্রচেষ্টা রয়েছে।'
 

Share this post



Also on Bangladesh Monitor