বিমানসহ বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর অতিরিক্ত ভাড়ায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসী শ্রমিকরা। সময়মতো ফিরতে না পেরে চাকরি হারাচ্ছেন অনেকে।
মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে টিকিটের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)।
আটাব সভাপতি মনছুর আহামেদ কালাম বলেন, দেশের ও বিদেশের প্রায় সব এয়ারলাইন্সের টিকিটের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করেছে এয়ারলাইন্সগুলো, এতে এজেন্সিগুলোর কোনো প্রভাব নেই। বাংলাদেশের রুটে ফ্লাইটের ভাড়া বৃদ্ধি করলেও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে (ভারত, নেপাল) ভাড়া তুলনামূলক কম। ভাড়া বৃদ্ধির কারণে অনেকে কাজে ফিরতে পারছে না। এমন পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে অভিবাসন ব্যয়।
তিনি বলেন,বিমানে ভাড়া কমানো ও ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে গত ৫ ডিসেম্বর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীকে চিঠিও দেয় আটাব।
মনছুর কালাম আরও বলেন, প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পর্যটক, প্রবাসী শ্রমিক ও ওমরাহ যাত্রীসহ পাঁচ হাজার জনের যাওয়ার কথা। তবে টিকিটমূল্য বৃদ্ধি ও আসনের সংকট থাকায় প্রতিদিন যাচ্ছে মাত্র তিন হাজার জন।
এ সংকট সমাধানে চারটি প্রস্তাব দিয়েছে আটাব। প্রস্তাবগুলো হচ্ছে:
১)বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি করা
২)বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) কর্তৃক এয়ারলাইন্সগুলোর অতিরিক্ত স্লটের অনুমোদন প্রক্রিয়া তরান্বিত করা
৩)প্রবাসী কর্মীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ ভাড়া ঘোষণা করা
এবং ৪)এয়ারলাইন্সগুলোর অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি বন্ধে রেগুলেটরি বোর্ড গঠন করা।
দাবি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।