দেশে প্রথমবারের মতো নদীর তলদেশে হচ্ছে রেললাইন

মনিটর ডেস্ক রিপোর্ট Date: 25 October, 2021
দেশে প্রথমবারের মতো নদীর তলদেশে হচ্ছে রেললাইন

মেট্রোরেল লাইন পাঁচের হাত ধরেই দেশে প্রথমবারের মতো নদীর তলদেশে হচ্ছে রেললাইন। হেমায়েতপুর থেকে শুরু হলেও লাইনটি পাতালে ঢুকবে গাবতলী থেকে।
চলছে ইউটিলিটি ভেরিফিকেশন সার্ভে। ভায়াডাক্টের পাতাল অংশ হবে টিউবের মাধ্যে। তবে স্টেশনগুলো হবে উম্মুক্ত প্রক্রিয়ায়। সেই অংশের জন্যই এই পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলছে ডিটেইলের ডিজাইনের প্রক্রিয়া। একই সঙ্গে সমীক্ষা শেষে চূড়ান্ত টেন্ডারে যাবে কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনায় আছে ২০২২ এর শেষ দিকে অথবা ২৩ সালের প্রথমার্ধেই নির্মাণকাজে হাত দেওয়া।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল),(লাইন-৫)এর প্রকল্প পরিচালক আফতাব হোসেন খান বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন, পাতাল ও উড়াল মিলিয়ে এ পথের মোট দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে সাবওয়ে থাকবে ১৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার আর উড়ালে ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার। স্টেশন হবে সাবওয়েতে ১৪টি ও উড়ালপথে পাঁচটি। 
তিনি আরো বলেন, সব ঠিক থাকলে ২০২৮ সালে শেষ হবে লাইন পাঁচ- এর উত্তরের কাজ।
তিনি বলেন, আমিনবাজার তুরাগ নদীর ওপর ব্রিজটা পার হলেই গাবতলী। নদীর এপার থেকে যদি করা হয়, তবে স্টেশন অনেক সামনে চলে যাবে। এ জন্য নদীর ওপার থেকে নদীর নিচে দিয়ে এসে গাবতলী স্টেশনের পাশে চলে যাবে। ওই জায়গাটাতে কোনো স্টেশন থাকবে না। ট্রেনটা নামার যে র্যা ম্পের মতো থাকবে, সেটা নদীর নিচ দিয়ে এসে গাবতলীতে উঠে যাবে।
উড়াল অংশ থাকবে তুরাগের ওপারেই। পরে গাবতলী থেকে দারুসসালাম হয়ে মিরপুর ১, দশ, ১৪ হয়ে কচুক্ষেত। এরপর বনানী ১১ থেকে, গুলশান দুই হয়ে নতুন বাজার। সবশেষ স্টেশন ভাটারায় গিয়ে আবার ওপরে উঠবে রেলপথ, সবশেষ স্টেশন হবে এটি। এই পথেও গাবতলীতে একটি মাল্টিপল হাব করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।
এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি অনুমোদনও পেয়ে গেছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল জুলাই ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ সাল পর্যন্ত। এ প্রকল্পে সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করছে জাইকা। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ হয়েছে।
 

Share this post



Also on Bangladesh Monitor