করোনা মহামারির শুরু থেকেই বিপর্যস্ত ইউরোপ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে এক দিনে রেকর্ডসংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাজ্যে। ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর এখন পর্যন্ত একমাত্র মৃত্যু দেশটিতে।
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের ভ্রমণকারীদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে যাচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স। ফ্রান্স জানিয়েছে, দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রামক রোগ কভিড-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ঠেকাতে ফ্রান্সে যুক্তরাজ্যের পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে তারা।
ফরাসি সরকারের মুখপাত্র গ্যাব্রিয়েল আত্তাল জানান, ফ্রান্সে করোনার নতুন ঢেউ ঠেকাতে যুক্তরাজ্য থেকে ভ্রমণকারীদের ওপর কঠোর নিয়ম প্রয়োগ করা হবে।
মহামারি শুরুর পর অর্থাৎ আগের মতোই সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ফের করোনা শনাক্ত বেড়ে যাওয়ায় আগামী বছরের শুরু থেকে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম পুনরায় কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
এরপর ফ্রান্সের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপের ঘোষণা এল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৭৭টি দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।
গত ২৫ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো করোনার নতুন ধরন শনাক্ত হয়। এরপর আফ্রিকান দেশগুলোর ওপর একের পর এক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অসংখ্য দেশ।