পর্যটন শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে ইংল্যান্ড সফর আরো সহজ করা হয়েছে। নতুন আইনের অধীনে এখন থেকে ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া ব্যক্তিরা যদি পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়ে থাকেন, তাহলে অধিক খরচের পিসিআর টেস্টের পরিবর্তে শুধু ফ্লো টেস্ট করালেই চলবে। একই পরিবর্তন এ সপ্তাহের শেষের দিকে করতে যাচ্ছে ওয়েলস। এই ধারা অনুসরণের ইঙ্গিত দিয়েছে স্কটল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
সরকার বলছে,লাল তালিকায় নেই এমন দেশগুলোর পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছেন যেসব মানুষ, তারা ৪ অক্টোবর থেকে বৃটেন সফর করতে পারছেন। যাত্রা শুরুর আগে তাদেরকে এ জন্য করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করাতে হচ্ছে না। তবে যেসব মানুষ টিকা নেননি, হোন তিনি ১৮ বছর বয়সী বা তারও বেশি, তাকে বৃটেন পৌঁছার পর এখনও ১০ দিনের জন্য স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে থাকার নিয়ম বিদ্যমান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলেছেন, যেসব মানুষ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে জীবন রক্ষাকারী টিকা নিয়েছেন, সেসব বৈধ ভ্রমণকারী যদি ইংল্যান্ড সফর করতে চান, তাহলে তারা কম খরচের ল্যাটারাল ফ্লো টেস্ট করাতে পারবেন। এতে রেজাল্ট পাওয়া যাবে দ্রুত। এতে পর্যটন শিল্প সমৃদ্ধ হবে।
ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধান নির্বাহী ড. জেনি হ্যারিস বলেছেন, যেসব মানুষের ল্যাটারাল ফ্লো টেস্টে করোনা পজেটিভ ধরা পড়বে তাদেরকে এনএইচএসের অধীনে পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। এর মধ্য দিয়ে আমরা নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিষয়ে নজরদারি অব্যাহত রাখতে পারি।
‘হাফ-টার্ম হলিডে’র বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ইংল্যান্ডের জন্য সর্বশেষ ভ্রমণ বিষয়ক আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, স্কুল টার্মের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি একটি ছুটিকে ‘হাফ-টার্ম হলিডে’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এই সুযোগটিকে কাজে লাগাতে চাইছে ইংল্যান্ড। বলা হয়েছে, যেসব ভ্রমণকারী ইংল্যান্ডে ফিরতে চান তারা বেসরকারি সেবাদানকারীদের কাছ থেকে ফ্লো টেস্ট করাতে পারবেন।
এক্ষেত্রে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবাখাতের (এনএইচএস) কিট ব্যবহার করা যাবে না। সরকারি ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এই পরীক্ষার খরচ হবে ১৯ পাউন্ড। বৃটেনের মাটিতে পা রাখার আগে যাত্রীকে এই পরীক্ষা বুকিং দিয়ে যেতে হবে। তাদের ফ্লো টেস্টের ছবি পাঠাতে হবে রেজাল্ট যাচাই করতে। যদি কোনো যাত্রী তাতে ব্যর্থ হন তাহলে তাকে এক হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হতে পারে।