প্রায় আঠারো কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকত রয়েছে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়। প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত হলেও রক্ষণাবেক্ষণ নেই। সৈকত হচ্ছে ক্ষতবিক্ষত । ভাঙছে তীর। ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সৈকতজুড়ে। সৈকতে পড়ে থাকা উচ্ছিষ্ট মাছ আর শুঁটকি পল্লীর উৎকট গন্ধ এখন পর্যটকদের সবচেয়ে বিরক্তির কারণ। এ যেন অভিভাবকহীন এক পর্যটন। সম্ভাবনা বিকাশে নেই কোন ধরণের পদক্ষেপ। পরিকল্পনা ছাড়াই যে কুয়াকাটা গড়ে উঠেছে, তা যে কেউ এখানে এসে অনুধাবন করতে পারবেন। বাঁধের ভেতরে-বাইরে যত্রতত্র আবাসিক হোটেল, দোকানপাট। রাস্তার ওপরে ভাসমান দোকানপাট তো আছেই।
অভিযোগ রয়েছে, কুয়াকাটা সৈকতের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি কিংবা কুয়াকাটা পৌর কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যা নিরসনের কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে বহু আকাংখা নিয়ে এখানে বেড়াতে আসা পর্যটক-দর্শনার্থীর ভোগান্তির শেষ নেই।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, পরিচ্ছন্ন সৈকত হিসাবে কুয়াকাটার আলাদা সুনাম রয়েছে। কিন্তু সে সুনাম হারিয়ে যেতে বসেছে। সরকারি প্রশাসন, পৌর পরিষদ কিংবা কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির কোন ভূমিকা নেই।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলাদেশ মনিটর কে বলেন, কুয়াকাটা এবং পায়রা বন্দরকে নিয়ে খুব সহসাই একটি নগর উন্নয়ন কতৃপক্ষ গঠিত হতে যাচ্ছে । বিভিন্ন প্রকার সার্ভে চলমান রয়েছে। অন্যদিকে কক্সবাজারের আলোকে স্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ও বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যা কুয়াকাটাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে।