কোভিড মহামারীর কারণে বন্ধ থাকা বাংলাদেশ ও ভারতসহ ছয়টি দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঙ্গাপুর।
দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। এসব দেশের পর্যটকরা সিঙ্গাপুরে প্রবেশ অথবা ট্রানজিট নিতে পারবেন। তবে এ জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগের ১৪ দিনের ভ্রমণের ইতিহাস সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।
করোনাভাইরাসের বিধি-নিষেধ শিথিলের অংশ হিসেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গতকাল দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দিয়েছে।
এই ভ্রমণকারীরা সিঙ্গাপুরের চতুর্থ শ্রেণির সীমান্ত বিধি-নিষেধের আওতায় পড়বেন। এসব বিধি-নিষেধের মধ্যে দেশটিতে পৌঁছানোর পর সরকারি স্থাপনায় ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন পালনের নির্দেশ রয়েছে।
একই সঙ্গে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের জন্য করোনা পরীক্ষার কড়াকড়ি ও বাড়িতে থাকার বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট থেকে নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, এসব দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর তাদের নাগরিকদের জন্য সিঙ্গাপুর ভ্রমণের বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কোভিড-১৯ টাস্ক ফোর্সের এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী অং ইয়ে কুং বলেছেন, সবচেয়ে প্রচলিত প্রশ্নগুলোর একটি হল অভ্যন্তরীণ বিধি-নিষেধ শিথিল না করে সিঙ্গাপুর কেন তার সীমানা পুনরায় খুলছে। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, দেশে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না পারে; সেজন্য সীমান্তে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে।
‘কয়েক মাস ধরে সংক্রমণের উচ্চ ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর অনেক দেশে মহামারি পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে এবং তার মধ্যে কিছু দেশের সংক্রমণের হার সিঙ্গাপুরের চেয়েও কম। যে কারণে আমরা এসব দেশের সঙ্গে নিরাপদেই ভ্রমণ চালু করতে পারি।’