করোনা সংকটের পরে ব্যবসায় ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসছে।ফলে ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে আবার ব্যাবসায়িক ভ্রমণ । শুরু হচ্ছে মিটিং, এক্সিবিশন, কনফারেন্স। কিন্তু কোন কোন পরিস্থিতিতে ব্যাবসায়িক ভ্রমণ ঘুরে দাঁড়াবে, কেমন করে নিয়ন্ত্রিত হবে ছোয়াঁচে রোগ, এ বিষয়ে কোম্পানিগুলো যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানাচ্ছে কর্পোরেট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সংস্থা এয়ারপ্লাস ইন্টারন্যাশনাল।
এক সমীক্ষায় সংস্থাটি বিশ্বের শীর্ষ ৭৫০ জন ম্যানেজারের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং জরিপ অনুযায়ী ৯০শতাংশেরও বেশি সংস্থা ইতিমধ্যে তাদের কর্মীদের প্রবেশ এবং পৃথকীকরণের বিধিনিষেধ সম্পর্কে অবহিত করেছে বা এটি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
৫১শতাংশ কোম্পানি কোন দেশে ভ্রমণ করা যাবে বা যাবেনা তাদের নিজেস্ব নিয়ম প্রস্তুত করেছেন। এক তৃতীয়াংশ কোম্পানি এগুলো বাস্তবায়ন এবং তারা তাদের কর্মচারীদের উচ্চ শ্রেণীতে ভ্রমণ করার জন্য বলেছে। কারণ উড়োজাহাজকে সবচেয়ে নিরাপদ ভ্রমণ হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে। এছাড়া পঞ্চাশ শতাংশ ট্রেনের বিসনেস ক্লাস ও ফার্স্ট ক্লাসে ভ্রমণের পরামর্শ দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরাসরি এক শহর থেকে অপর শহরে যাবার কথা বলেছে যাতে যাত্ৰা নিরাপদ হয়।
বর্তমানে বিজনেস ট্রাভেল এখনো প্যান্ডেমিক পূর্বের ৬৪ শতাংশেরও নিচে আছে। বিমান সংস্থাগুলো আরো বুকিং এর অপেক্ষাই আছে এবং সে কারণে ডিসকাউন্ট দিচ্ছে। কোম্পানিগুলোর ৫৯ শতাংশ মনে করে যে ভ্রমণ খরচ ও আবাসন খরচ বৃদ্ধি হবে এবং ৮% মনে করে এই মূল্য পূর্বের ন্যায় একই অথবা কমবে।
উচ্চ মূল্য হলেও ব্যাবসা ভ্রমণ গুরুত্বপূর্ণ। ৮০শতাংশ প্রধান নির্বাহী ও ম্যানেজাররা মনে করেন ক্রেতা ও সরবরাহকারীর সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আগামী ২/৩ বছরের মধ্যে ব্যাবসায়ীক ভ্রমণ বৃদ্ধি পাবে।
বেশিরভাগ কোম্পানি করোনার কারণে তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা সমন্বয় করছে।
এই নিরীক্ষায় জার্মানি , চীনা , আমেরিকা ,ইংল্যান্ড , ফ্রান্সের ৭৪৩ জন সিইও , এফ সি ও আর প্রধান বিক্রয় প্রতিনিধির সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।