ঢাকা : দেশের প্রকাশনা শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর এবারের অমর একুশে বইমেলা আয়োজনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রকাশকরা।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)প্রকাশক ঐক্যের পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ আবেদন জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, দেড় বছর ধরে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় প্রকাশনা শিল্প ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তার ওপর সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের কারণে দুই মাস দেশের ছাপাখানাগুলো নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকায় বই উৎপাদনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। কাগজের আকাশচুম্বী দাম এবং আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকরা আজ দিশাহারা।
এমন এক বাস্তবতায়, বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানে অমর একুশে বইমেলা আয়োজনের বিষয়ে অনড় অবস্থানে। রোজায় দেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীরাই বইমেলার প্রাণ। তাদের অনুপস্থিতিতে ও রোজার মাসে এ মেলা হবে নিশ্চিতভাবেই পাঠকশূন্য ও নিষ্প্রাণ।
প্রকাশনা শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় এবং একুশের মেলার ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে চিঠিতে দুটি আবেদন জানানো হয়েছে। এগুলো হলো—এক. ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ঘোষিত ‘নামমাত্র’ বইমেলা স্থগিত করার নির্দেশনা প্রদান করুন; দুই. ঈদুল ফিতরের পর উৎসবমুখর পরিবেশে এবং সব প্রকাশকের অংশগ্রহণে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রাণবন্ত বইমেলা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
প্রকাশক ঐক্যের পক্ষে চিঠিতে স্বাক্ষরকারী প্রকাশকরা হলেন মেছবাহউদ্দীন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), মনিরুল হক (অনন্যা), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (কথাপ্রকাশ), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (বাতিঘর প্রকাশনী; বেস্টসেলার থ্রিলার লেখক), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (রিদম প্রকাশনা সংস্থা), ইকবাল হোসেন সানু (লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (বাতিঘর), মো. জহির দীপ্তি (ইতি প্রকাশন; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬), মাহ্রুখ মহিউদ্দীন (ইউপিএল; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬) এবং মাহাবুব রাহমান (আদর্শ; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬)।
-B