বিমানবন্দরে নিরাপত্তায় এভসেক, মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা দাবি

-মনিটর রিপোর্ট Date: 12 November, 2024
বিমানবন্দরে নিরাপত্তায় এভসেক, মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা দাবি

ঢাকাঃ সারাদেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্বে এখন অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্সের (এভসেক) ১,৪৫০ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। 

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দায়িত্ব থেকে বিরত হয়, এবং সে সময় থেকে পুরো দায়িত্বভার এভসেকের হাতে ন্যস্ত হয়। যদিও পরবর্তীতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে, তবুও নিরাপত্তা দায়িত্বে ফিরতে পারেনি।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বিমান বাহিনীর ভূমিকা এবং এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বিমান মন্ত্রণালয়। 

পাশাপাশি, এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ও, যা সংশ্লিষ্ট বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিমানবন্দর গুলোতে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে এপিবিএন সদস্যরা দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকেন। তখন থেকেই নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে বিমানবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত এভসেক। বিশেষ করে এপ্রোন এরিয়ায় দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন তারা। এর আগে এপিবিএন সদস্যরা সেখানে দায়িত্ব পালন করতেন। 

পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে এপিবিএনের সবাই কাজে ফিরলেও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এপ্রোন এরিয়ায় এপিবিএন সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া আনসার সদস্যরা আন্দোলনে গেলে শাহজালালে নিরাপত্তার স্বার্থে নতুন করে বিমানবাহিনীর আরও কিছু সদস্যকে নিয়োজিত করা হয়।

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (রুটিন দায়িত্বে) রুমান ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বিমানবন্দরে নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিমানবাহিনীর সদস্যা সংখ্যা ২০২১ সালের অনুমোদিত সংখ্যা থেকে ধাপে ধাপে কোন প্রক্রিয়ায় এবং কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে বৃদ্ধি করা হয়েছে তার তথ্যসহ ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

অন্যদিকে কার নির্দেশে শাহজালালে বিমানবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে তা লিখিত আকারে বেবিচকের কাছে জানতে চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার অ্যাক্টে’ বেবিচকের বিধিমালা অনুযায়ী বিমানবন্দরে বিমানবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করার সুযোগ আছে কিনা তাও জানতে চাওয়া হয়।

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor