চট্টগ্রাম: শিগগিরই চট্টগ্রাম থেকে চীনের কুনমিং রাজ্যে সরাসরি কার্গো ফ্লাইট চালু হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের নতুন দ্বার খুলবে। সেইসঙ্গে খুলবে বাণিজ্যের নতুন দুয়ার।
এ লক্ষ্যে বিমানবন্দরের কার্গো সার্ভিসকে চাহিদা অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতায় প্রস্তুত করছে শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। দুই বছর পর এই বিমানবন্দরে পুনরায় কার্গো সার্ভিস চালুর উদ্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।
শাহ আমানত বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে চীনের কুনমিং রাজ্যে সরাসরি কার্গো ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস। ইতিমধ্যে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ আগ্রহের বিষয়টি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। সে লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, বেবিচক চেয়ারম্যানের দিকনির্দেশনায় সোমবার (২০ এপ্রিল)চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি এক সভা হয়। এতে কার্গো অপারেশন সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।’
তিনি বলেন, ‘সভায় বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে বিমানবন্দরে কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা, বিভিন্ন অংশীজনদের মধ্যাকার সমন্বয় ঘাটতি নিরসন, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ ও অন্যান্য দেশে কার্গোর মাধ্যমে আমদানি-রফতানির শর্তগুলো পূরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় কাস্টমস, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কার্গো টার্মিনালের নানা প্রতিবন্ধকতা নিরসনসহ কার্গো পরিবহনের বিভিন্ন শর্ত পূরণে সভায় উপস্থিত সবার সর্বসম্মতিতে তিন ধাপে যেমন; স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
চট্টগ্রামে পাঁচটি ইপিজেডসহ একাধিক উৎপাদনমুখী শিল্পকারখানা রয়েছে উল্লেখ করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্বরত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কর্মকর্তা আবু বক্কর বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে আমদানি-রফতানি পণ্যের সংকট হবে না। নতুন করে কার্গো ফ্লাইট চালুর বিষয়টি আমাদের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে। বিমানবন্দর এলাকায় প্রচুর জমি খালি পড়ে আছে। এসব জমি ব্যবহারের পাশাপাশি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করলে চট্টগ্রাম থেকে কার্গো সার্ভিস বাড়বে।’
-B