আকাশপথে কার্গো পরিবহনে চাপ, সিলেট-চট্টগ্রামে নতুন উদ্যোগ বেবিচকের

-মনিটর রিপোর্ট Date: 20 April, 2025
আকাশপথে কার্গো পরিবহনে চাপ, সিলেট-চট্টগ্রামে নতুন উদ্যোগ বেবিচকের

ঢাকাঃ ভারতে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের পর ঢাকা থেকে আকাশপথে পণ্য পরিবহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে কার্গো পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২৭ এপ্রিল থেকে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে শুরু হচ্ছে নিয়মিত কার্গো পরিবহন কার্যক্রম। পাশাপাশি চট্টগ্রামের হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেও কার্গো পরিবহনের উপযোগী করে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে বেবিচক।

বেবিচক জানিয়েছে, আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলোকে ব্যবহার করেই পণ্য পরিবহনের পরিসর বাড়ানো গেলে ঢাকার ওপর চাপ কমবে এবং সারা দেশের রপ্তানিকারকদের জন্য সময় ও ব্যয়ের সাশ্রয় সম্ভব হবে।

বর্তমানে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশের সিংহভাগ কার্গো পরিবহন কার্যক্রম চলে। 

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় ৩৫টি এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনা করে, যার প্রায় সবাই বেলি কার্গো (লাগেজ রাখার জায়গায় পণ্য পরিবহন) সুবিধা দেয়। এর বাইরে এমিরেটস, কাতার, টার্কিশ, সাউদিয়া ও ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারলাইনস আলাদা করে কার্গো পরিবহন করে। ঢাকা থেকে বছরে গড়ে ২ লাখ ১০ হাজার টন পণ্য এ ব্যবস্থায় রফতানি হয় বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

সিলেট থেকে কার্গো ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল)সিলেট বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া। এ সময় ২৭ এপ্রিলের মধ্যে টার্মিনালের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। 

সিলেট ও চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দুটি এখন ক্যাটাগরি-১ মর্যাদায় উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন সংস্থা (আইকাও)-এর একটি প্রতিনিধি দল বিমানবন্দর দুটি পরিদর্শন শেষে এ স্বীকৃতি প্রদান করে।

বেবিচক কর্মকর্তারা জানান, এই স্বীকৃতির ফলে এখন থেকে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করা যাবে। এতে একদিকে যেমন রপ্তানিকারকদের সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে, তেমনি ঢাকার ওপর নির্ভরশীলতাও কমে আসবে।

নতুন এই সক্ষমতা পণ্য দ্রুত আমদানিকারক দেশে পৌঁছাতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor