শাহ আমানতে কার্গো স্টেশন প্রস্তুত, অপেক্ষা ফ্লাইট চালুর 

-মনিটর রিপোর্ট Date: 24 May, 2025
শাহ আমানতে কার্গো স্টেশন প্রস্তুত, অপেক্ষা ফ্লাইট চালুর 

ঢাকাঃ শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চীন, ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে সরাসরি তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রফতানির নতুন দিগন্ত খুলতে যাচ্ছে। ভারতকে এড়িয়ে আকাশপথে পণ্য পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। সরকারের অনুমোদন পেলেই শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত কার্গো ফ্লাইট চলাচল।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন , কার্গো পরিবহনের জন্য ২৭০ টন ধারণক্ষমতার একটি আধুনিক কার্গো স্টেশন প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি বসানো হয়েছে দুটি স্ক্যানিং মেশিন ও একটি ওজন নির্ধারণ যন্ত্র।

বর্তমানে বিমানবন্দরের কার্গো শেডে রয়েছে ২৫০ টন আমদানি এবং ২০ টন রফতানি পণ্যের ধারণক্ষমতা। ২০২২ সাল থেকে আমদানি কার্গো ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও যাত্রীবাহী ফ্লাইটের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে পণ্য পরিবহন চলছে।

প্রকৌশলী খলিল বলেন, “দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা কার্গো স্টেশনটি সম্প্রতি আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এখন যদি সপ্তাহে বড় দুটি কার্গো ফ্লাইট আসে, সেগুলোর হ্যান্ডলিং আমরা করতে পারবো। শিগগিরই চীন, ইউরোপ ও আমেরিকায় রফতানির জন্য ফ্লাইট চালু হবে বলে আশা করছি, তবে এখনো অনুমোদনের চিঠি পাইনি।”

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, একসময় চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে থাই এয়ার এশিয়া, সিল্ক এয়ার, কুয়েত এয়ার, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ, এমিরেটস এয়ারলাইনসের কার্গো ফ্লাইট চলাচল করতো। 

সবশেষ ২০২২ সাল পর্যন্ত দুটি কার্গো ফ্লাইট চালু ছিল। চাহিদা অনুযায়ী পণ্য না পাওয়ায় ওই বছর ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আব্দুল্লাহ আলমগীর বলেন, ‘ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল হওয়ার বিষয়টি আমাদের জন্য ইতিবাচক। এতে আমরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারবো। সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। 

 বিমানবন্দরে কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণ, কার্গো উইং মেশিন কেনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনের মাধ্যমে কার্গো কার্যক্রমে গতি আনার চেষ্টা চলছে জানিয়ে শেখ আব্দুল্লাহ আলমগীর আরও বলেন, ‘পাশাপাশি জার্মানির এয়ারপোর্ট কনসাল্টিং পার্টনার জিএমবিএইচ কর্তৃক বিমানবন্দরের জন্য একটি আধুনিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।’

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor