ঢাকাঃ দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম বৃহত্তর চট্টগ্রামে আটকে পড়া লাখ খানেক প্রবাসীর সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাজে যোগদানে সহায়তার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অতি দ্রুত পিসিআর মেশিন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি’র প্রতি ৩১ অক্টোবর এক পত্রের মাধ্যমে আহবান জানিয়েছেন।
পত্রে তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশী প্রবাসী রয়েছেন প্রায় ২৫ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৭৫% প্রবাসী বৃহত্তর চট্টগ্রামের। সংযুক্ত আরব আমিরাতের নতুন শর্ত মতে, ফ্লাইটের ৬ ঘন্টার মধ্যে বিমানবন্দর থেকে র্যাপিড পিসিআর টেস্ট করে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট প্রাপ্তদেরই কেবল তাদের দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। প্রবাসীদের জন্য আমিরাত সরকারের নতুন নিয়মের কারণে চট্টগ্রামে আটকা পড়েছেন প্রায় এক লাখ প্রবাসী।
শুরু থেকেই দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে র্যাপিড পিসিআর টেস্টের ব্যবস্থা করার দাবীর প্রেক্ষিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অক্টোবরের প্রথমে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে কোভিড পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়। এরপর শুরু হয় ঢাকা-আমিরাত ফ্লাইট চলাচল।
পত্রে তিনি আরও বলেন, প্রায় এক মাস পরও চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনে সময়ক্ষেপণের কারণে চট্টগ্রামের প্রবাসীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। ল্যাব স্থাপনে বিলম্বের ফলে খেসারত দিচ্ছেন এই বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করা দেশে এসে আটকে পড়া প্রবাসীরা। ইতোমধ্যে কিছু কিছু প্রবাসী ঢাকা বিমান বন্দর দিয়ে আমিরাত ফিরলেও বেশির ভাগ আটকে আছেন চট্টগ্রামে।
ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পরিদর্শন করে পিসিআর মেশিন স্থাপনে স্থান নির্বাচন করেছেন। তবে মেশিন স্থাপনে কালক্ষেপণ করা হলে প্রবাসীদের ভোগান্তি আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।