বুধবার সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির সেমিনার কক্ষে এশিয়ান হার্বস ইন স্পেস শীর্ষক মহাকাশ জীববিজ্ঞান গবেষণায় এনআইবির মাধ্যমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে অবহিত করার উদ্দেশ্যে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ বলেন, মালয়েশিয়া, জাপান, থাইল্যান্ডসহ ১২টি দেশ এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত আছে। বাংলাদেশ জীবপ্রযুক্তি গবেষণায় বিশ্বমানে উন্নীত হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) এবং জাপানি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সার (JAXA) যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পরিচালিত এশিয়ান হার্বস ইন স্পেস প্রকল্পটিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং পরবর্তী সময়ে এনআইবির গবেষণাগারে এ-সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ নিঃসন্দেহে এনআইবির চলমান গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
মহাকাশ জীববিজ্ঞান-সম্পর্কিত এই গবেষণায় নাসা ও জাক্সার সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) স্পেস সিস্টেম ল্যাবরেটরির প্রকৌশলী মিজানুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, স্বল্প জায়গায় স্বল্প পরিবেশের জন্য ধনিয়াকেই বেছে নিয়েছি। ধনিয়া অল্প জায়গাতেই প্রচুর পরিমাণে জন্মাতে পারে।
গবেষণা কার্যক্রমটি এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কেশব চন্দ্র দাস এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুসলিমা খাতুন কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে।