ঢাকাঃ ঢাকা বিমানবন্দরে শীঘ্রই র্যাপিড পি সি আর টেস্টের আয়োজন করা হচ্ছে বলে বাংলাদেশ মনিটরকে এক সাক্ষাৎকারে জানান হজরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এ এইচ এম তৌহিদুল আহসান।
ডি এম এফ আর মলিকুলার এন্ড ডায়াগনস্টিক নামে এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিমানবন্দরে র্যাপিড পি সি আর টেস্ট মেশিন স্থাপনের জন্য শীঘ্রই চুক্তিবদ্ধ হতে পারে। পরিচালক মহোদয় আরো জানান যে কোম্পানিটি ইতোমধ্যে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ, ডি জি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে।
প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে ডি জি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যন্ত্রগুলোর মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সম্মতি দিলেই বিমানবন্দর কতৃপক্ষের তত্বাবধানে অতিসত্তর র্যাপিড পি সি আর টেস্টের যন্ত্র যাত্রী সেবার জন্য চালু হয়ে যাবে।
হজরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এ এইচ এম তৌহিদুল আহসান
তিনি আরো বলেন, “অনুমোদন পেলে মাত্র ৪-৫ দিনের মধ্যে যন্ত্রগুলো চালু হয়ে যাবে।“
প্রাথমিক পর্যায়ে ৪টি যন্ত্র স্থাপন করা হবে এয়ারপোর্টের দ্বিতীয় তলার পার্কিং লটে, যা দুই ঘন্টায় ৮০০-৯০০ এবং দৈনিক ২৫০০ যাত্রীর পি সি আর টেস্ট করতে সক্ষম হবে।
তিনি আরো বলেন, যন্ত্রগুলো ঢাকা বিমানবন্দরে চলে এসেছে। যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে যন্ত্রের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে।
প্রতি টেস্টের রেজাল্ট ৩ ঘন্টার মধ্যে যাত্রীরা পাবেন, তাতে তারা যথাসময়ে ফ্লাইটে চেক-ইন করতে পারবে।
কোম্পানিটি প্রতিটি পি সি আর টেস্টার জন্য ১৭০০ টাকা চার্জ প্রস্তাব করেছেন। তবে, জনাব আহসান বলেন কর্তৃপক্ষ টেস্টের চার্জ আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে, কেননা ফ্লাইটের ৭২ ঘন্টা পূর্বে প্রবাসী শ্রমিকগণের একবার টেস্ট করানোর পর আবার ফ্লাইটে উঠার আগে পুনরায় ১৭০০ টাকা দিয়ে টেস্ট করা ব্যায়বহুল হয়ে যাবে।
বহুদিন ধরে শত শত প্রবাসী শ্রমিক দেশে আটকা পরে আছে কারণ আরব আমিরাত সরকার সেদেশে আগমনকারি যাত্রীদের প্রস্থান ফ্লাইটে উঠার পূর্বে পি সি আর টেস্ট করা বাধ্যতামূলক করেছে। তাই বিমানবন্দরে র্যাপিড পি সি আর টেস্ট শীঘ্রই শুরু হওয়া আরব আমিরাতগামী সেই শত শত প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য একটি স্বস্তির খবর।
এই যন্ত্রগুলো আমিরাত কর্তৃপক্ষ দ্বারা অনুমোদিত, ফলে আসা করা যায় আর কোনো প্রবাসী শ্রমিকদের আরব আমিরাতে যাওয়া নিয়ে আর কোন জটিলতা থাকবে না, বলে জানান বিমানবন্দর পরিচালক।