ফাঁকা সৈকত, বিশেষ ছাড়েও নেই পর্যটক

জাফর আলম Date: 22 February, 2026
ফাঁকা সৈকত, বিশেষ ছাড়েও নেই পর্যটক

কক্সবাজারঃ সমুদ্র শহর কক্সবাজার এখন পর্যটক শূন্য। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে পর্যটক না আসায় সৈকতের চারদিকে সুনসান নীরবতা। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সৈকতের সুগন্ধা, লাবনী, সীগাল ও কলাতলী পয়েন্টে দেখা গেল এ রকম নিরব-নিস্তব্ধতা। পর্যটক না থাকায় সৈকতের শামুক-ঝিনুকসহ সব দোকানপাটও বন্ধ।

হোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরো রমজানে শহরের সব হোটেল-মোটেলে কক্ষ ভাড়ার বিপরীতে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। আবার ছোটখাটো অধিকাংশ হোটেলের মূল ফটকে তালা ঝুলছে। রেস্তোরাঁসমুহ বন্ধ রাখা হয়েছে। 

কক্সবাজার শহরে ৭ শতাধিক রেস্তোরাঁ রয়েছে। সৈকত এলাকায় ভাজা মাছসহ খাবার বিক্রির প্রায় ৩০০ ভ্রাম্যমাণ ভ্যানও আছে। রমজান উপলক্ষে প্রায় সবই বন্ধ। তবে কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনে কেএফসি, পিৎজাহাটসহ কিছু রেস্তোরাঁ খোলা রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠান বিকেলে ইফতারসামগ্রী বিক্রি করছে।

কক্সবাজার তারকা মানের হোটেল স্বপ্নীল সিন্ধু রিসিপশনে দায়িত্বে থাকা শরিফ আদনান বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের হোটেল ফাঁকা। তবে সনাতন ধর্মাবলম্বী কিছু লোক ভ্রমণে এসেছেন। আমরা পর্যটক টানতে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েছি। 

রাসেল নামে এক রেস্তোরাঁ শ্রমিক বলেন, আমাদের রেস্তোরাঁ এখন বন্ধ আছে। তাই মালিক আমাদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, রমজানে পর্যটক টানতে হোটেল-মোটেল-রিসোর্টে বিশেষ ছাড় চলছে। তবে এই মুহূর্তে পর্যটক শূন্য।

ব্যবসায়ীদের আশা, ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন থেকে আবারও পর্যটকে ভরপুর হবে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত। তখন চাঙা হবে হোটেল, দোকান, বিনোদনকেন্দ্র।

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor