শারজায় তাৎক্ষণিক ব্যবসার জন্য লাইসেন্স পাচ্ছেন বিদেশীরা

মনিটর অনলাইন  Date: 28 January, 2024
শারজায় তাৎক্ষণিক ব্যবসার জন্য লাইসেন্স পাচ্ছেন বিদেশীরা

শারজা: শারজায় নতুন একটি ‘ফ্রি জোন’ বা ব্যবসায়িক অঞ্চলে বিদেশী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ কিছু সুবিধা রেখেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এতে অঞ্চলটিতে বিদেশীদের ব্যবসা পরিচালনা আগের চেয়ে নির্ঝঞ্ঝাট হবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন এ উদ্যোগের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো তাৎক্ষণিক বিজনেস লাইসেন্স প্রাপ্তি। রয়েছে সহজে ভিসাসহ অন্যান্য সাশ্রয়ী সেবা। 

সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শারজা পাবলিশিং সিটি ফ্রি জোন (এসপিসি ফ্রি জোন) সম্প্রতি তাৎক্ষণিক লাইসেন্স সেবার ঘোষণা দিয়েছে। প্রথমবারের মতো চালু এ লাইসেন্স শারজায় ব্যবসায়িক পরিবেশকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করবে। এর মাধ্যমে বিদেশী উদ্যোক্তারা দ্রুত দেশটির মূলধারার অর্থনীতিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন বলেও আশা করা হচ্ছে। এছাড়া নিজের ক্ষমতাকে আগের চেয়ে বেশি উপভোগ করতে পারবেন তারা।

নতুন ঘোষিত সেবার আওতায় তাৎক্ষণিক বিজনেস লাইসেন্স, সমঝোতা স্মারক (এমওএ), ফ্রি জোনের মধ্যে অফিস বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান করার জন্য জমি ইজারা এবং মালিকানা ও শেয়ারহোল্ডারের সনদ পাবেন ব্যবসায়ীরা। 

তাৎক্ষণিক ব্যবসায় লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের ভিসার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেবে ইউএই। বিনিয়োগের জন্য তাদের সামনে থাকছে দেড় হাজারের বেশি বিকল্প, সঙ্গে পাচ্ছেন অগণিত ভিসার কোটা। তাৎক্ষণিক এ সুবিধার আওতায় থাকছে তিনটি পর্যন্ত লাইসেন্স সুবিধা। ভিসায় অন্তর্ভুক্ত সনদের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কর্তৃপক্ষ ও তাদের কার্যক্রম নিশ্চিত হবে।

এসএসি ফ্রি জোনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মনসুর আল হাসানি জানান, শারজায় ব্যবসার পরিবেশ সহজ করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন এ কৌশল অঞ্চলটিকে শক্তিশালী বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় বৈশ্বিক গন্তব্য করে তুলবে।

এ অঞ্চলে উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রকল্পের মালিকদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জের সমাধান করতেই তাৎক্ষণিক লাইসেন্সের নতুন এ ঘোষণা এসেছে বলে জানান তিনি। 

ইউএই নিয়ে বিদেশীদের আগ্রহ বেশ পুরনো। সম্প্রতি এ প্রবণতার পালে আরো হাওয়া লাগিয়েছে দেশটির সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ, যার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিনিয়োগ ও বসবাসের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশ্যে বা গোপনে বিপুল পরিমাণ মূলধন স্থানান্তর হচ্ছে এ অঞ্চলে। আর অর্থনৈতিক উল্লম্ফনের এ চাপ দেখা যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবাসন ও অন্যান্য খাতে। 

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor