শেষ হলো আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা, ৩ দিনে ব্যবসা প্রায় ১০ কোটি টাকার 

-মনিটর রিপোর্ট Date: 12 April, 2026
শেষ হলো আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা, ৩ দিনে ব্যবসা প্রায় ১০ কোটি টাকার 

ঢাকাঃ রাজধানী ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ৯ থেকে ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘এয়ার অ্যাস্ট্রা ঢাকা ট্রাভেল মার্ট ২০২৬’। 

২১তম বারের মতো আয়োজিত এই মেলায় বাংলাদেশসহ নেপাল, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া সহ মোট ৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। মেলায় ৮০টি বুথে ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, উড়োজাহাজ সংস্থা, হোটেল-রিসোর্ট এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আকর্ষণীয় প্যাকেজ, মূল্যছাড় এবং বিনিয়োগের সুযোগ প্রদর্শন করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থেকে বিদেশি পর্যটক—সবার জন্য ছিল বিশেষ অফার, যা আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আয়োজকেরা জানান, ৩ দিনব্যাপী এই মেলায় সব মিলিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে। 

মেলায় হোটেল-রিসোর্টের পাশাপাশি উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো ছিল আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। এয়ার অ্যাস্ট্রা ৩ দিন ২ রাতের প্যাকেজ অফার করে কক্সবাজারের ওসেন প্যারাডাইস বিচ হোটেল, সায়মন বিচ রিসোর্ট, সিগাল হোটেলসহ মোট ৮টি হোটেলে।উড়োজাহাজ টিকিটসহ জনপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১৬ হাজার ৬৫০ টাকা। 

অন্যদিকে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ১৫ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ১২ শতাংশ ছাড় দেয়। প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, “মেলায় আশানুরূপ সাড়া পেয়েছি। মূল লক্ষ্য ছিল প্রচার। দর্শনার্থীদের আগ্রহ দেখে বিদেশে নতুন রুটে ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনায় সহায়তা পাওয়া গেছে।”

এছাড়া মেলায় ট্যুর প্যাকেজ এবং হোটেল-রিসোর্ট বুকিংয়ের ওপর আকর্ষণীয় মূল্যছাড় দেওয়া হয়। প্রতিদিনের র‍্যাফেল ড্রতে পুরস্কার হিসেবে দর্শনার্থীরা পান দেশ-বিদেশের রিটার্ন এয়ার টিকিট, তারকা হোটেলে বিনামূল্যে আবাসন এবং ডিনার ভাউচার।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের পুনরুজ্জীবনে এই মেলা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত পর্যটকদের জন্য সাশ্রয়ী অফার, বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা—সব মিলিয়ে এই মেলা দেশের পর্যটন খাতকে নতুন গতি দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি সংখ্যক দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীকে আকৃষ্ট করবে বলে আশা করা যায়।

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor