পটুয়াখালী: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে টানা চার দিনের ছুটিতে লাখো পর্যটকের পদাচরণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে শুধু পর্যটন নগরী কক্সবাজারই নয় সাগর কন্যা খ্যাত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতেও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।
পর্যটকদের আগমনে কুয়াকাটার হোটেল-মোটেলগুলো আগেই বুকিং হয়েছে। স্থানীয়ভাবে 'সাগর কন্যা' নামে পরিচিত এই সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত উভয়ই দেখা যায়।
রবিবার (১৩ অক্টোবর) এই রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত (বেলা ১টা) পুরো সৈকত ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত।
কুয়াকাটার জনপ্রিয় স্থানগুলো হলো- শুটকি পল্লী, লাল কাঁকড়া দ্বীপ, ফাতরা বন, গঙ্গামতি জঙ্গল, সীমা বৌদ্ধ মন্দির, কেরানীপাড়া, মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধ মন্দির, রাখাইন গ্রাম, রাখাইন জাদুঘর, আলিপুর বন্দর, জল জাদুঘর, আমখোলা পাড়া, রাখাইন বুনন এবং রাখাইন বাজারে ছিল ।
বরিশাল থেকে আসা পর্যটক দীপঙ্কর বলেন, "এর আগেও কুয়াকাটা ঘুরেছি। এবার স্ত্রীকে নিয়ে আসছি। কুয়াকাটা সুন্দর জায়গা, তাই বারবার আসতে ইচ্ছে করে।"
যশোর থেকে আসা পর্যটক মাহফুজুর রহমান বলেন, "পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে এসেছি। বাচ্চাদের সাথে সমুদ্রে গোসল করলাম। পরিবারের সবাই আনন্দে করছে। তবে দর্শনীয় স্থানগুলোতে যাতায়াত ব্যবস্থা খুব একটা ভালো নয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে।"
কুয়াকাটা পর্যটন পুলিশ অঞ্চলের পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন জানান, "পর্যটকদের চাপ একটু বেশি। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া মাঠে কাজ করছে টহল দল। কুয়াকাটার প্রতিটি পর্যটন স্পটে আমাদের দল আছে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।"
-B