ঢাকাঃ ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ায় ২মাসে ৪১০ কোটি পাকিস্তানি রুপি আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছে ইসলামাবাদ।
দেশটির পার্লামেন্টে শুক্রবার (৮ আগস্ট) পেশ করা এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল দিল্লির তরফ থেকে সিন্ধু নদী চুক্তি বাতিলের পরদিনই এই সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ভারতীয় মালিকানাধীন বা লিজে থাকা সব বাহন পাকিস্তানি আকাশসীমায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে উল্লিখিত ক্ষতির পরিমাণ জানা গেছে।
অবশ্য, এই ক্ষতির পরও সার্বিকভাবে পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালের এক হিসাবে দেখা গেছে, তাদের আয় ছিল পাঁচ লাখ আট হাজার মার্কিন ডলার যা চলতি বছর বেড়ে হয়েছে প্রায় সাত লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত ফেডারেল সরকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে। এতে অর্থনৈতিক ক্ষতি হলেও সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক বিবেচনার চেয়ে অগ্রাধিকার পায়।
এর আগে ২০১৯ সালে, দুদেশের সীমান্তে উত্তেজনার কারণে আকাশসীমা বন্ধ রাখায় প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ডলার ক্ষতির শিকার হয়েছিল পাকিস্তান। চলমান নিষেধাজ্ঞা আগস্টের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে।
একই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে রেখেছে ভারত সরকার। পাকিস্তানি উড়োজাহাজের জন্য আকাশসীমা বন্ধের বিষয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোনও মূল্যই বেশি নয়।
-B