২০২৭ সালে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বৈশ্বিক বাজার ১১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে

মনিটর অনলাইন  Date: 27 January, 2024
 ২০২৭ সালে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বৈশ্বিক বাজার ১১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে

বিশ্বব্যাপী ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে স্মার্টফোনের বাজার। পিছিয়ে নেই ব্যবহৃত (ইউজড) ফোনের বাজারও। আগামী ২০২৭ সালে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বাজার ১০ হাজার ৯৭০ কোটি ডলারে উন্নীত হবে। আর স্মার্টফোনের সংখ্যা হবে ৪৩ কোটি ইউনিট। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশনের (আইডিসি) এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। 

আইডিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত ও অফিশিয়ালি মেরামতকৃত স্মার্টফোনের শিপমেন্ট ৩০ কোটি ৯৪ লাখ ইউনিটে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের ২৮ কোটি ২৬ লাখ ইউনিট থেকে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। এছাড়া আইডিসি পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২০-২৭ সালের মধ্যে বার্ষিক ৮ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধিসহ ব্যবহৃত স্মার্টফোনের চালান ৪৩ কোটি ১১ লাখ ইউনিটে পৌঁছবে।

এদিকে রিফ্রেশ রেট (ডিসপ্লেতে এক সেকেন্ডে যত স্বচ্ছভাবে ইমেজ পরিবর্তন হয়), উচ্চমূল্য এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নতুন স্মার্টফোনের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ফলে ব্যবহৃত স্মার্টফোনের সরবরাহও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। আইডিসি জানিয়েছে, এর পরও ব্যবহৃত স্মার্টফোনের চাহিদা ভালো থাকবে এবং পূর্বাভাসের পুরো সময়জুড়ে বাড়তে থাকবে। তবে বাড়ার গতি আগের পূর্বাভাসের তুলনায় কিছুটা মন্থর হবে। আইডিসির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চাহিদা, মূল্যস্ফীতি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে থাকায় ২০২৩ সালে নতুন স্মার্টফোনের চালান ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পাবে। অন্যদিকে ব্যবহৃত ফোনের বাজার বছরটিতে প্রায় ১০ শতাংশ বাড়বে।

গত সোয়া তিন বছরে (৪০ মাস) বেশির ভাগ উন্নত বাজারে নতুন ফোনের রিফ্রেশ রেট বাড়ানো হয়েছে যা সেকেন্ডারি মার্কেটে পণ্যের ঘাটতি সৃষ্টিতে প্রভাব রেখেছে। নতুন গ্রাহক ধরতে কোম্পানিগুলো যে বাণিজ্যিক কৌশল অবলম্বন করছে, তা ব্যবহৃত স্মার্টফোনের বাজারকে শক্তিশালী করছে। যদিও স্মার্টফোনের সেকেন্ডারি মার্কেট নতুন বাজারের তুলনায় বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তার পরও আগের পূর্বাভাস থেকে বৃদ্ধির হার কমে আসায়, বাজার পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে খাতসংশ্লিষ্টরা।

এদিকে মজুদ স্বল্পতার মতো বিষয় প্রতিটি অঞ্চলেই ব্যবহৃত ডিভাইসের সামগ্রিক বাজারকে প্রভাবিত করেছে। এছাড়া রিফ্রেশ রেট ও দুর্বল ভোক্তা ব্যয় নতুন এবং পুরনো উভয় বাজারকে প্রভাবিত করেছে। ফলে সেকেন্ডারি মার্কেটে সরবরাহ প্রায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। আইডিসির ওয়ার্ল্ডওয়াইড কোয়ার্টারলি মোবাইল ফোন ট্র্যাকারের রিসার্চ ম্যানেজার অ্যান্থনি স্কারসেলা বলেন, ‘‌প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বেও, প্রকৃত তালিকার অভাবের কারণে সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।’

বেশির ভাগ বাজারে নতুন ফোনের রিফ্রেশ রেট উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুনঃবিক্রেতাদের জন্য মজুদ করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে সেকেন্ডারি ফোনের খুচরা বিক্রেতারা পণ্য সংগ্রহ করার জন্য মুখিয়ে আছেন। তবে এই দীর্ঘসূত্রতা নতুন বাজারেও দেখা যেতে পারে। যেখানে ২০২৩ সালের জন্য শিপমেন্ট ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে।

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor