কক্সবাজার: সমুদ্রের বুক ছুঁয়ে যাওয়া কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে ও টার্মিনাল দৃশ্যমান হয়েছে। চলতি বছরের জুন মাসেই শেষ হবে রানওয়ের নির্মাণ কাজ। এটি হবে দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে। জুলাই মাস থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা উড়োজাহাজ ওঠানামা করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
সাগরের নীল জল ভেদ করে মাথা তুলেছে উড়োজাহাজ নামার পথ- রানওয়ে। সাগরের বুক চিরে আকাশ পানে ছুটে চলা আর অবতরণে সময় মনে হবে সাগরজলেই নামছে উড়োজাহাজ।
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমন ব্যতিক্রমী দৃশ্য সহসাই দেখতে পাবেন ভ্রমণকারীরা। সেই কর্মযজ্ঞ এগিয়েছে অনেকটাই। কয়েক মাসের মধ্যেই বিশ্বের দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরগুলোর তালিকায় স্থান পেতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বিমানবন্দরের প্রথমে রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ৭৭৫ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৯ হাজার ফুটে উন্নীত করা হয়। পরে তা আরও বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭শ’ ফুট করা হয়েছে। কাজের শুরুটাই ছিল বেশ চ্যলেঞ্জিং। খনন করা হয় সমুদ্রের তলদেশ। বিশাল ঢেউ থেকে রানওয়েকে সুরক্ষা দিতে চারপাশে বসানো হয় কংক্রিটের ব্লক। তৈরি হয় শক্তিশালী সুরক্ষা বাঁধ। এমন প্রক্রিয়ায় এই প্রথম কোন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে দেশে। তার সাথে তৈরি করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক টার্মিনাল।
আগামী জুনে নতুন রানওয়ে ও টার্মিনাল উদ্বোধন করা হবে। পরের মাস থেকেই দিবারাত্রি সর্বক্ষণ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ ওঠানামা করবে এই বিমানবন্দরে।
ভূমি থেকে সাগর অবদি নতুন রানওয়ে নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ১ হাজার ৯শ’ কোটি টাকা। আর টার্মিনাল তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৫ কোটি টাকা।
-B