সাশ্রয় মূল্যে বিশ্বখ্যাত সুইচ ঘড়ি এখন বাংলাদেশে

-মনিটর অনলাইন Date: 02 December, 2021
সাশ্রয় মূল্যে বিশ্বখ্যাত সুইচ ঘড়ি এখন বাংলাদেশে

বাংলাদেশী উদ্যোক্তা কবির এন্ড কোম্পানি বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বিশ্বখ্যাত সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের ঘড়ি বাংলাদেশে বাজারজাত করার লক্ষ্যে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
নেসলে বাংলাদেশের কর্পোরেট এফেয়ার্স ডিরেক্টর নকীব খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুইজারল্যান্ড টাইম রিসার্চ এক্সপিরিয়েন্সের নির্মাতা প্রফেসর সেবাস্তিন রুসু ও কবির ওয়াচ'র স্বত্বাধিকারী আরাফাত কবির।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ব্যাবসায়ী সংগঠনের কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যাবসায়ী, উদ্যোক্তা, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কবির এন্ড কোম্পানি বাংলাদেশে Aerowatch, Mathey-Tissot, Cornavin, Claude Bernard এবং Richelieu-এর মতো বিশ্বখ্যাত সুইস ঘড়ির ব্র্যান্ডের পরিবেশক। ক্রেতাদের সক্ষমতা ও চাহিদার দিকে নজর রেখে এসব ঘড়ি মিলবে ১০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকার মধ্যে।
প্রধান অতিথি নকীব খান বলেন, ঘড়ির আবেদন এখনো ফুরায়নি। ঘড়ির প্রযুক্তিতে রূপান্তর ঘটেছে। অ্যানালগের বদলে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল সার্কিট। এ ছাড়া যুগের সঙ্গে ঘড়িও স্মার্ট হয়েছে, প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়েছে আর নকশাতে এসেছে পরিবর্তন। তবে ঘড়ির ঐতিহ্যের যে আবেদন, তা থেকেই গেছে।
বাজারে সব বয়সের ও পেশার মানুষের কথা মাথায় রেখে বিক্রেতারা নানা ধরনের হাতঘড়ি বিক্রি করেন। মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখে ঘড়ি কেনেন। তবে এখনকার হাতঘড়িতেও প্রযুক্তির নানা সুবিধা যুক্ত করে দেন এর নির্মাতারা। সময়ের পাশাপাশি দিন, তারিখও দেখায় অনেক হাতঘড়ি।
প্রফেসর সেবাস্তিন রুসু বলেন, সুইজারল্যান্ডে ঘড়ি মানে, দামী বা বিলাসী পণ্য এমন নয়। বিশ্ববাসীর কাছে এটি সুইসদের শৈল্পিক চেতনা তুলে ধরে’। বিশ্বের সেরা ঘড়ির বাজার মানেই সুইজারল্যান্ড। গুণগত মান, আভিজাত্য ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তিই বিশ্বের সব প্রান্ত থেকে এগিয়ে রেখেছে সুইস ঘড়িকে।
প্রতিটি ঘড়ি যেন এক একটি শিল্পকর্ম। ধাতব ক্যানভাসে তুলির নিপুণ আঁচড় খেলা করে এখানে। মেকানিক্যাল বা যান্ত্রিক ঘড়ি তৈরি হয় শিল্প ও শিল্পীর সার্থক সমন্বয়ে। শতাধিক যন্ত্রাংশের সন্নিবেশে নির্মাণের পর নিখুঁত সময় দেয়ার পরীক্ষা। তাতে সফল হলে ছাড়পত্র মেলে ক্রেতার কাছে যাবার।
উদ্যোক্তা আরাফাত কবির বলেন, বেশিরভাগ সুইস ঘড়িতেই থাকে দুই বছরের ওয়ারেন্টি। সমস্যা হলে বিশ্বের যে কোনো দেশের আউটলেট থেকে বদলে নেয়া যাবে। তবে, কোনো কোনো অভিজাত ব্র্যান্ডে এই সুবিধা মিলছে ৫ বছর পর্যন্ত। 
অনুষ্ঠান শেষে একটি রাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
 

Share this post



Also on Bangladesh Monitor