বাংলাদেশের বিমান বন্দরগুলোতে রেপিড পি সি আর টেস্ট সুবিধা না থাকায় অনিশ্চতায় পড়েছে ইউ এ ই যাবার অপেক্ষায় হাজার পরিজায়া শ্রমিক।
গত কয়েক মাস ধরে প্রায়না হলে ২০,০০০ বাংলাদেশী শ্রমিক যারা দেশে ফিরেছিল হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরে রেপিড পি সি আর টেস্ট সুবিধা না থাকায় তারা গালফ দেশে তাদের কর্মক্ষেত্রে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
দীর্ঘ তিন মাস করোনা প্যান্ডেমিকের কারণে ইউ এ ই ও বাংলাদেশের মধ্যে বিমান চলাচল বন্ধ ছিল। গত ৪ অগাস্ট থেকে বাংলাদেশ সহ ৬টি দেশের সাথে ইউ এ ই পূণরায় বিমান চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে।
ইউ এ ই-র নিয়ম অনুযায়ী যাত্রীদের বিমান বন্দরে যাত্ৰাৱ প্রাক্কালে পি সি আর টেস্টার মাধ্যমে নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন।
ডি জি , স্বাস্থ সেবার একটি সূত্র বলছে পি সি আর মেশিন কেনা সময় সাপক্ষের ব্যাপার। অপর দিকে ইউ এ ই যাত্রীরা বলছেন " আমরা যদি ফেরত যেতে না পারি তা হলে আমরা চাকরি হারাবো। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে অনেক পরিজায়া কর্মীদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।
এক দল ফিরতি যাত্রী গত ১লা সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, দেশের বিমান বন্দরগুলোতে পি সি আর টেস্টার মেশিন লাগানোর দাবি জানান চট্টগ্রমে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে। কারণ ইউ এ ই-র এই নিয়ম পালন করে সে দেশে ফেরা যাবে। না হলে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক জীবিকা হারাবে। মিনিস্ট্রি
১৭ দিন পূর্বে ইউ এ ই-তে জনাব ইয়াসিন চৌধুরী, যিনি প্রবাসী শ্রমিকদের একজন সমন্বয়কারী, এই পরিস্থিতি নিরসনে সরকারের কাছে দাবি রাখেন কিন্তু এখনো কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। ইতোমধ্যে অনেক শ্রমিকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তিনি দাবি জানান সরকারের উচিৎ ইউ এ ই-র সাথে সরকার এই সকল শ্রমিকের ভিসার মেয়াদ বারাবার জন্য অনুরোধ করবে।
শ্রমিকেরা দেশের বিভিন্ন জেলায় আন্দোলন করেছেন যাতে বিমান বন্দরে দ্রুত পি সি আর টেস্টিং মেশিন স্থাপন করা হয়। তারা প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে এবং মন্ত্রী , প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দাবীনামা পেশ করেছেন।
ইতোমধ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডি জি , স্বাস্থ সেবার নিকট দেশের বিমান বন্দরগুলোতে পি সি আর টেস্টার মেশিন লাগানোর অনুরোধ জানান। মন্ত্রী ইমরান আহমেদ ২৩ আগস্ট এক অনুষ্ঠানে জানান ডি জি , স্বাস্থ সেবার কাছ থেকে তিনি কোনো উত্তর পাননি।
ডি জি , স্বাস্থ সেবার কর্মকর্তা চিঠি পাবার কথা স্বীকার করেন কিন্তু জানান যে এটি বাস্তবায়ন করা সময় সাপক্ষের ব্যাপার।
বাংলাদেশ শ্রমিকদের সামান্ন্যায়কারী ইউ এ ই আগামী ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাব ঢাকার সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করবে।