ঢাকাঃ আগামীকাল শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের দখলকৃত পশ্চিম তীরের বসতিতে পাসপোর্ট সেবা প্রদান করবে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথমবারের মতো কনস্যুলার কর্মকর্তারা সরাসরি ওই অঞ্চলের বসতি স্থাপনকারীদের সেবা দেবেন।
আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ পশ্চিম তীরের বসতিগুলোকে অবৈধ মনে করে। তবে ইসরায়েল এই দাবি মানে না এবং দেশটির অনেক ডানপন্থী নেতা পশ্চিম তীরকে সম্পূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে।
গাজা ও পূর্ব জেরুজালেমের পাশাপাশি পশ্চিম তীরকে নিয়েও ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখছে।
জেরুজালেমের মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত সব আমেরিকানদের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার অংশ হিসেবে 'শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইফ্রাতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা নিয়মিত পাসপোর্ট সেবা প্রদান করবেন।' ইফ্রাত হলো ফিলিস্তিনি শহর বেথলেহেমের দক্ষিণে অবস্থিত একটি বসতি।
দূতাবাস জানিয়েছে, তারা ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত পশ্চিম তীরের শহর রামাল্লা, বেথলেহেমের কাছে বেইতার ইলিত বসতি এবং ইসরায়েলের হাইফা শহরেও একই ধরনের সেবা চালুর পরিকল্পনা করছে।
যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস এবং তেল আবিবের শাখা অফিসে পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবা দিয়ে থাকে। ধারণা করা হয়, পশ্চিম তীরে হাজার হাজার আমেরিকান-ইসরায়েলি দ্বৈত নাগরিক বসবাস করছেন।
পশ্চিম তীরে ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি ও ৫ লাখেরও বেশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করেন। অধিকাংশ বসতিই বেড়া দিয়ে ঘেরা ছোট শহরের মতো, যেখানে ইসরায়েলি সেনারা পাহারা দিয়ে থাকেন।
-B