ঢাকা : মাত্র ১৫০ ডলারে মিলে যেতে পারে ফেয়ারচাইল্ড সি-১১৯বি মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট উড়োজাহাজ।
বাজেট যদি আরো কম হয় তবে ২৫ ডলারে বোয়িং কেসি-৯৭ স্ট্যাটোফ্রেইটার ট্যাংকারের জন্য চেষ্টা করা যেতে পারে। এ দুই ভিনটেজ আকাশযানসহ আরো ১৪টি উড়োজাহাজ নিলামে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং রাজ্যের বিগ হর্ন কাউন্টি।
লিজের অর্থ পরিশোধ না করায় বিমানবন্দরের বোনিয়াডে থাকা এসব উড়োজাহাজ নিলামে তুলেছে কাউন্টি কর্তৃপক্ষ।
বিগ হর্ন কাউন্টি বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক পল থার বলেন, ‘উড়োজাহাজগুলোর সবক’টির অবস্থা একই রকম নয়। কিছু মোটামুটি পুরোটাই আছে। আবার কিছু উড়োজাহাজের শুধু ফিউজেলাজ আছে, পাখা ও স্ট্যাবিলাইজার খুলে ফেলা হয়েছে।’
হোরাল্ড শেপার্ড নামের এক ব্যক্তি বিমানবন্দরের কাছে লিজে জায়গা নিয়ে সেখানে উড়োজাহাজগুলো রাখেন। পরে ভাড়া পরিশোধ করেননি, এমনকি বাহনগুলো সরিয়ে দিতে অস্বীকার করেছিলেন। এরপর বিষয়টি আইনি লড়াইয়ে গড়ায় এবং গত মার্চে ওয়াইওমিং সুপ্রিম কোর্ট কাউন্টির পক্ষে রায় দেন। ফলে কাউন্টি উড়োজাহাজ ও কিছু অন্যান্য জিনিস নিলামে বিক্রি করতে পারবে।
নিলাম তালিকায় উড়োজাহাজ ছাড়াও রয়েছে এমারসন কার্গো লোডার, একটি ১৯৫০ সালের ক্যাটি ডি-৬ বুলডোজার ও একটি স্ক্র্যাপার। ১৬টি উড়োজাহাজের বেশির ভাগই ওড়ার উপযোগী নয় এবং স্ক্র্যাপ বা পার্টসের জন্য উপযুক্ত। পল থার বলেন, ‘কিছু মিউজিয়াম দুটি বা একটির বেশি উড়োজাহাজ নিতে চাইছে। তবে এগুলো ওড়ার উপযোগী করতে লাখ লাখ ডলার প্রয়োজন হবে।’
আস্ত উড়োজাহাজ না নিতে চাইলে কেটেও নেয়া যাবে কোনো একটি অংশ। কেউ যদি বোয়িং কেসি-৯৭-এর ককপিট বাড়ির অফিস বা লিভিং রুমে রাখতে চান, তার জন্য নিলামের প্রারম্ভিক মূল্য মাত্র ১০০ ডলার। অবশ্য গ্রেবুল শহরের বাসিন্দা ও পর্যটকরা নিলাম নিয়ে উদ্বিগ্ন। এতে বিমানবন্দরের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো চলে যাবে বলে তাদের মত।
তবে বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিলাম থেকে মোট উড়োজাহাজের অর্ধেক বিক্রি হবে, বাকিগুলো বিঅ্যান্ডজি ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি মেরামত কোম্পানির তত্ত্বাবধানে থাকবে।
-B