তার্কিশ এয়ারলাইন্সের জরুরি অবতরণ রক্ষা পেলো ২৯০ যাত্রী

- মনিটর রিপোর্ট Date: 20 May, 2025
turkish-airlines-emergency-landing-saves-passengers.jpg

ঢাকাঃ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজের ইঞ্জিনে আকস্মিকভাবে আগুনের স্ফুলিঙ্গ (স্পার্ক) দেখা দিলে পাইলট জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। ফ্লাইটে থাকা ২৯০ জন যাত্রী সবাই নিরাপদে উদ্ধার হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২০ মে)সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই উড়োজাহাজটির একটি ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দেয়। সঙ্গে সঙ্গেই ককপিট থেকে জরুরি বার্তা পাঠানো হয় এবং উড়োজাহাজটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লাইটটি নিরাপদে অবতরণ করার পর যাত্রীদের দ্রুত উড়োজাহাজ থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। তাদের সবাইকে রাজধানীর বিভিন্ন হোটেলে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বার্ড হিটের কারণে ইঞ্জিনে স্পার্কের সৃষ্টি হয়েছিল। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তার্কিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং আরেকটি উড়োজাহাজে তাদের পাঠানোর ব্যবস্থা গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

অপরদিকে, ত্বরিত পদক্ষেপ এবং দক্ষ পরিচালনার মাধ্যমে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হওয়ায় উড়োজাহাজটির  ক্রু ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেছেন যাত্রীরা।

জানা গেছে, তার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে৭১৩ ফ্লাইটটি (এয়ারবাস এ৩৩০-৩০৩) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকাল ৭টার দিকে ২৯০ জন যাত্রী নিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে রওনা দেয়। উড্ডয়নের ১৫ মিনিটের মাথায় পাইলট একটি ইঞ্জিনে স্পার্ক দেখতে পান। পাইলট উড়োজাহাজটি  দ্রুত অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। এ অবস্থায় প্রায় দেড় ঘণ্টা আকাশে চক্কর দিয়ে তেল পুড়িয়ে সোয়া ৮টায় জরুরি অবতরণ করেন।

গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ বলেন, উড্ডয়নের পরপরই পাইলট একটি ইঞ্জিনে কিছুটা স্পার্ক দেখতে পান। ধারণা করা হচ্ছে, বার্ড হিটের ঘটনা ঘটতে পারে। তখন পাইলট তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে বিমানবন্দরে ফিরে আসেন। যাত্রীরা নিরাপদ আছেন।

B

Share this post