ঢাকাঃ বোয়িংয়ের বিশাল এক ক্রয়াদেশ নিশ্চিত করতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ভরসা করছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কেলি ওর্টবার্গ।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চীনের এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে খুচরা যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতা নিয়ে দীর্ঘদিনের যে জটিলতা ছিল, তার একটি সম্মানজনক সমাধান খুঁজে পেয়েছে বোয়িং।
তবে এই বিপুল পরিমাণ উড়োজাহাজ বিক্রির বিষয়টি শেষ পর্যন্ত নির্ভর করছে মার্কিন প্রশাসনের সরাসরি সহযোগিতার ওপর।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের অংশ হিসেবে এর আগে খুচরা যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিনের সরবরাহ বন্ধ করার হুমকি দিয়েছিলেন, যা বোয়িংয়ের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
ওর্টবার্গ মনে করেন, বর্তমান প্রশাসনের সক্রিয় সমর্থন ছাড়া অদূর ভবিষ্যতে চীনের কাছ থেকে বড় কোনো ক্রয়াদেশ পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সব ঠিক থাকলে চীন প্রায় ৫০০টি ৭৩৭ ম্যাক্স জেট এবং কয়েক ডজন ওয়াইডবডি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে।
যদি এই চুক্তিটি সফল হয়, তবে ২০১৭ সালের পর এটিই হবে চীনের পক্ষ থেকে বোয়িংয়ের জন্য প্রথম কোনো বড় ধরনের অর্ডার।
মূলত ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে স্থগিত হওয়া ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আগামী মে মাসের বৈঠকটিই এখন এই চুক্তির মূল চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
-B