ঢাকাঃ ইন্টারব্র্যান্ড’র বেস্ট গ্লোবাল ব্র্যান্ডস ২০২১ তালিকার শীর্ষ পাঁচে পুনরায় নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে বলে ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং ইলেকট্রনিকস।
গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি ও ৭৪.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্র্যান্ড ভ্যালুর সাথে, গ্লোবাল কনসাল্টিং ফার্ম ইন্টারব্র্যান্ডের সম্প্রতি ঘোষিত বেস্ট গ্লোবাল ব্র্যান্ডস’র তালিকায় পঞ্চম স্থান দখল করেছে স্যামসাং। প্রতিষ্ঠানটি লক্ষণীয় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে বৈশ্বিক মহামারির পূর্বের অবস্থানে ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে এবং চলতি বছর এর ২০ শতাংশ ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এ বছরের শীর্ষ ১০০ ব্র্যান্ডের মধ্যে ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধির গড় হারের দ্বিগুণ।
২০১৩ সাল থেকে সবচেয়ে বেশি ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধির সাথে, গত বছর প্রথমবারের মতো শীর্ষ পাঁচে নাম লেখায় স্যামসাং। এ বছর টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষ পাঁচে থাকার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং।
ইন্টারব্র্যান্ডের মতে, নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ স্যামসাংয়ের প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে: ক্রেতা-কেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা মডেলে রূপান্তর। গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা এবং মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিতে নিবেদিত নতুন একটি সিএক্স (গ্রাহক অভিজ্ঞতা) টিম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এটি তুলে ধরা হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। এর মধ্যে রয়েছে স্যামসাংয়ের সিএসআর’র অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, ‘টুগেদার ফর টুমরো! এনাবলিং পিপল’; সাস্টেইনেবিলিটি প্রচারে প্রতিষ্ঠানটির নানাবিধ উদ্যোগ, যেমন: টিভির জন্য ইকো-প্যাকেজিং ব্যবহার এবং গ্যালাক্সি আপসাইক্লিং পোগ্রাম। গ্যালাক্সি জেড ফ্লিপ৩, নিও কিউএলইডি ও হোম অ্যাপ্ল্যায়েন্সের বিস্পোক লাইনআপ সহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী পণ্য বাজারে আনা। মেমোরি বাজারের এক নম্বরে শক্ত অবস্থানের মাধ্যমে প্রযুক্তি খাতে শীর্ষে থাকা এবং উদ্ভাবনী সিস্টেম এলএসআই পণ্য উন্মোচন। ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফাইভজি, অটোমোটিভ এবং রোবোটিকসের মতো উন্নত প্রযুক্তির বিকাশে নেতৃত্ব দেওয়া।
স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের সিএমও ওয়াইএইচ লি বলেন, “গত বছর, সারাবিশ্বের অসংখ্য ব্র্যান্ডের মাঝে স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের শীর্ষ পাঁচে অবস্থান এবং তারপরে এই বছর স্যামসাংয়ের দুই ডিজিটের প্রবৃদ্ধি অর্জন অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। ২০১৩ সাল থেকে এটি স্যামসাংয়ের সর্বোচ্চ ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি।” তিনি আরও বলেন, “ক্রেতাদের কথা শোনার লক্ষ্যে আমরা আমাদের ক্রেতা-কেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা মডেল ব্যবহারের প্রতিশ্রæতি দিচ্ছি। বিশ্বজুড়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে আমরা যে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি তা আমরা এভাবেই ফিরিয়ে দিবো।”
কোনো ব্র্যান্ডের অর্থনৈতিক পারফরমেন্স, ক্রেতাদের ক্রয়ের ওপর ব্র্যান্ডের প্রভাব এবং ব্র্যান্ডের প্রতিযোগিতার ক্ষমতা সহ একাধিক বিষয়ের ব্যাপক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ইন্টারব্র্যান্ড কোন ব্যবসার ব্র্যান্ড ভ্যালু মূল্যায়ন করে।