৪৯ দেশ ও অঞ্চলে ডিজিটাল নোমাড ভিসা দেবে জাপান

মনিটর অনলাইন  Date: 04 February, 2024
৪৯ দেশ ও অঞ্চলে ডিজিটাল নোমাড ভিসা দেবে জাপান

৪৯টি দেশ ও অঞ্চলের নাগরিকদের ডিজিটাল নোমাড ভিসা সুবিধা দেবে জাপান। সম্প্রতি দেশটির অভিবাসন সংস্থা আইএসএ বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে। মার্চের শেষ নাগাদ এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। 

ডিজিটাল নোমাড ভিসায় যে কেউ কর্মস্থল থেকে অনেক দূরের কোনো জায়গায় বসে প্রযুক্তির সাহায্যে কাজ করতে পারবেন। বিনিময়ে আয় করতে পারবেন বৈদেশিক মুদ্রা। অনেক দেশই এভাবে দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য ভিসা দিচ্ছে। এবার জাপানও হাঁটছে সে পথে। এ ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য একটি জরিপ করেছে টোকিও। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতদাতারা তিন-ছয় মাস পর্যন্ত সময় নোমাড ভিসার জন্য উপযুক্ত বলে মনে করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ভিসার মেয়াদ ছয় মাস ধার্য করেছে দেশটি। 

নোমাড ভিসাধারী ব্যক্তিরা জাপানে কর্মরত হয়েও দেশটির যেকোনো স্থান বা অন্য দেশ-অঞ্চল থেকে কাজ করার অনুমতি পাবেন। এক্ষেত্রে বার্ষিক ১ কোটি ডলার বা ৬৮ হাজার ৩০ ডলার বা তার বেশি আয়ের সুবিধা পাবেন কর্মীরা। নোমাড ভিসাধারীদের স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানদের জাপানে থাকার অনুমতি দেয়া হবে।

নোমাড ভিসাধারীদের কিছু শর্ত পূরণ করা আবশ্যক, যার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবীমার বিষয়টি। পাশাপাশি জানিয়েছে, নোমাড ভিসাধারীরা জাপানে বসবাস করার অনুমতি পেলেও তাদের আবাসিক পরিচয়পত্র দেয়া হবে না। সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায়ও থাকবেন না তারা।

মেয়াদের ছয় মাস পূর্ণ হয়ে গেলে ভিসার জন্য নতুন করে আবেদন করতে হবে। তবে নতুন আবেদন করতে হলে দেশটি ছাড়তে হবে। আবেদনের জন্য ছয় মাস অপেক্ষা করতে হবে। 

মার্কিন ভ্রমণ তথ্য ওয়েবসাইট এ ব্রাদার অ্যাব্রোড অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৩ কোটি ৫০ লাখের বেশি ডিজিটাল নোমাড রয়েছে, যার সমষ্টিগত অর্থনৈতিক মূল্য ৭৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। 

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সরকার কর্মশৈলীর পরিবর্তনকে উৎসাহিত করছে। ৫০টিরও বেশি দেশ বর্তমানে ডিজিটাল নোমাড ভিসা দিচ্ছে। দেশভেদে এসব ভিসার মেয়াদে রয়েছে ভিন্নতা। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ কোরিয়া ডিজিটাল নোমাডদের দুই বছর পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেয়। আবার তাইওয়ান তিন বছরের অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে তাইওয়ান যোগ্য ব্যক্তিদের পরবর্তী সময়ে স্থায়ীভাবে থাকার আবেদন করার সুযোগ দিয়ে থাকে। 

গত বছর জাপান সরকার ডিজিটাল নোমাড ভিসা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মার্চের শেষ নাগাদ পরিকল্পনাটি কার্যকর করবে। আইএসএ গতকাল থেকে প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিষয়ে দেশটির জনসাধারণের মতামত গ্রহণ শুরু করেছে।

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor