করোনাভাইরাসের কারণে ইউরোপ জুড়ে বেড়েছে মৃত্যু, এমনটাই বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। গত সপ্তাহে ইউরোপে মৃত্যু বেড়েছে পাঁচ শতাংশেরও বেশি।
গত সাত সপ্তাহ ধরে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে নতুন শনাক্তের হার সবচেয়ে বেশি রাশিয়া, জার্মানি ও ব্রিটেনে। মৃত্যুর হার বেশি নরওয়ে ও স্লোভাকিয়ায়। এই দুই দেশের মৃত্যুর হার বেড়েছে যথাক্রমে ৬৭ ও ৩৮ শতাংশ।
এর আগে সংস্থাটি জানিয়েছিল, করোনার পরবর্তী কেন্দ্রস্থল হতে পারে ইউরোপ। জরুরি পদক্ষেপ না নিলে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ এই অঞ্চলে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ করোনায় মারা যেতে পারে।
এদিকে, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেছে অস্ট্রিয়া। সোমবার থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন চ্যান্সেলর আলেক্সান্ডার স্ক্যালেনবার্গ।
এর আগে বৃহস্পতিবার টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করেছিল অস্ট্রিয়া সরকার। সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়া ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করতে হলো কর্তৃপক্ষকে।
চ্যান্সেলর আলেক্সান্ডার স্ক্যালেনবার্গ জানিয়েছেন, অন্তত ২০ দিন লকডাউন বলবৎ থাকবে। ২০২২ সালের জানুয়ারির মধ্যে টিকা না নিলে ওই বছরের পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে টিকা নিতে হলে আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
পশ্চিম ইউরোপের যে কয়টি দেশে করোনার টিকা নেওয়ার হার সবচেয়ে কম তার মধ্যে অন্যতম অস্ট্রিয়া।
নাগরিকদের টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা পঞ্চম ঢেউ চাই না। অনেক বেশি রাজনৈতিক শক্তি, ক্ষীণ টিকা বিরোধীতা এবং ভুয়া খবরের কারণে অনেকে টিকা নিতে চাইছেন না।’