উৎসবের আমেজে মুখর কক্সবাজার সৈকত

জাফর আলম Date: 01 October, 2025
coxbazar-beach-in-festive-mood.jpg

কক্সবাজার : টানা দিনের ছুটিতে লাখো মানুষ ভিড় জমিয়েছেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে ফলে জমজমাট হয়ে উঠেছে হোটেল-মোটেল থেকে শুরু করে খাবার হোটেল, রেস্তোরাঁ, সিএনজি-রিকশা, হস্তশিল্পের দোকানসহ পর্যটন ব্যবসা

শহরের সৈকত জোন, কলাতলী, লাবণী, সুগন্ধা দরিয়ানগর ছাড়াও রামুর হিমছড়ি, উখিয়ার ইনানী টেকনাফে পর্যটকের ভিড় চোখে পড়ছে। হোটেল-মোটেলের রুম পূর্ণ হয়ে গেছে, অনেক পর্যটক আগে থেকে বুকিং না করায় বিপাকে পড়েছেন।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ সময়ে অর্থনৈতিকভাবে তারা বেশ স্বস্তি পেলেও অব্যবস্থাপনা, যানজট নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়া অনেকের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়েছে।

পর্যটকের নিরাপত্তায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, ট্যুরিস্ট পুলিশ লাইফগার্ড দল বিশেষ টহল দিচ্ছে। শিশু হারানো ঠেকাতে চালু হয়েছে হেল্পডেস্কও। যানজট নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও শহরের ভেতরে কিছু সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বাড়তি ফ্লাইট চালু হয়েছে, রেলও দিয়েছে বিশেষ ট্রেন। বাসেও অতিরিক্ত ট্রিপ থাকলেও মহাসড়কের দীর্ঘ যানজট ভ্রমণকে কিছুটা বিঘ্নিত করেছে।

এদিকে ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দিচ্ছে। তবে সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় অনেকেই হতাশ হয়েছেন।

হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, কক্সবাজার শহর, মেরিন ড্রাইভ আশপাশের এলাকায় শতাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, গেস্ট হাউসে লাখ ৭০ হাজার পর্যটকের রাত যাপনের সুযোগ আছে। 

চলতি পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই আশানুরূপ পর্যটকের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, যা পর্যটনের জন্য সুখবর। পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সব সময় সতর্ক করা হচ্ছে, যেন কোনো অবস্থায় পর্যটক হয়রানি না হয়।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমের শুরুতেই এত ভিড় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। স্থানীয় আয় বাড়ার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হিসাব অনুযায়ী, বছরে কক্সবাজারে প্রায় ৩০-৪০ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন, যা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

-B

Share this post