ঢাকাঃ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেলে তেলের দাম ৩ ডলার করে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি এখনও কার্যত বন্ধ রয়েছে। এসব কারণেই জ্বালানি পণ্যটির দর আরেক দফা বাড়ল।
বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১১ মে) কার্যদিবসের শুরুতে ফিউচার মার্কেটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ ডলার ১৮ সেন্ট বেড়ে ১০৪ ডলার ৪৭ সেন্ট হয়েছে। এর আগে শুক্রবারও জ্বালানি পণ্যটির দর ১ ডলার ২৩ সেন্ট বেড়েছিল।
আলোচ্য কর্মদিবসে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ৩ ডলার ০৯ সেন্ট বেড়ে হয়েছে ৯৮ ডলার ৫১ সেন্ট। আগের সেশনেও যা দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাবটি ‘গ্রহণযোগ্য’ নয় বলে প্রত্যাখ্যান করে ইরান। এর ফলে ১০ সপ্তাহ ধরে চলমান যুদ্ধের অবসান হয়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন আবার স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদ হতাশায় পরিণত হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারে।
শেয়ার ও আর্থিক বাজার বিষয়ক বিশ্লেষক টনি সাইকমোর এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এ সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চীন সফরের দিকেই সবার নজর। আশা করা হচ্ছে একটি সমন্বিত যুদ্ধবিরতি ও হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক করতে ইরানের ওপর বেইজিংয়ে প্রভাব কাজে লাগানোর বিষয়ে তিনি চীনকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন।
সৌদি অ্যারামকোর সিইও আমিন নাসের রবিবার বলেন, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত ২ মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে ১০০ ব্যারেলের বেশি তেল সরবরাহ হয়নি। এমনকি জ্বালানি পণ্যটির সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও বাজার স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে।
-B