ঢাকাঃ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় দেউলিয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় বাজেট এয়ারলাইনস ‘স্পিরিট এয়ারলাইনস’।
শনিবার (২ মে)সংস্থাটি সব ধরনের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে উড়োজাহাজ চলাচল খাতে এটিই প্রথম বড় ধরনের পতনের ঘটনা বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।
সংবাদমাধ্যমটি প্রতিবেদনে বলছে, ২ মাস ধরে চলা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনার কারণে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি বা জেট ফুয়েলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিশাল খরচ সামলাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত স্পিরিট এয়ারলাইনস কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। ফলে অনেক মানুষ চাকরি হারাবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংস্থাটি জানায়, এয়ারলাইনসটিকে বাঁচাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫০ কোটি ডলারের একটি সহায়তা প্যাকেজ প্রস্তাব করেছিলেন। তবে তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ও কংগ্রেসের অনেক রিপাবলিকান সদস্য এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেন। শেষ পর্যন্ত ঋণদাতাদের সমর্থন না পাওয়ায় সরকারিভাবে এ উদ্ধার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মোট অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের প্রায় ৫ শতাংশ পরিচালনা করত স্পিরিট। দুই দশকের মধ্যে স্পিরিটের মতো বড় কোনো এয়ারলাইনস এভাবে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার নজির নেই। বড় এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কম ভাড়ায় যাত্রীসেবা দেয়ার জন্য স্পিরিট সুপরিচিত ছিল।
-B