আমিরাতে বিমানের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ও শারজাহ রুটে ফ্লাইট উদ্বোধন উপলক্ষ্যে শনিবার (২৯ জানুয়ারি) হোটেল শারজাহ শেরাটনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ বিমানের রিজিওনাল ম্যানেজার শাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুবাই ও উত্তর আমিরাত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমানের জেনারেল ম্যানেজার দিলীপ কুমার চৌধুরী, দুবাই কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর কামরুল হাসান, শারজাহ জিএসজি ট্রান্সওয়ার্ল্ডের ম্যানেজার রয়সন সানিসহ বিমানের দুবাই ও উত্তর আমিরাতের কর্মকর্তা ও আমিরাতে অবস্থিত ট্রাভেল এজেন্সি মালিক।
এ সময় বক্তারা বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয় বরং এটি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী এয়ারলাইন্স। তাই বিমান সব সময় যাত্রীদের সর্বাত্মক সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে। ১৯৭২ সালে চালু হওয়া পর বিমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
জেনারেল ম্যানেজার দিলীপ কুমার চৌধুরী বলেন, মার্চ মাস থেকে যাত্রীরা নিজেই বিমানের টিকেট অনলাইনে বুকিং দিতে পারবেন৷ এ সময় তিনি ট্রাভেল এজেন্সিদের প্রতি আহ্বান জানান যাত্রীদের জন্য বিমানের নির্ধারিত ভাড়ায় যেন টিকেট দেওয়া হয়৷
তিনি আরও বলেন, অন্যান্য এয়ারলাইনসের চেয়ে সব সময় বিমানের ভাড়া কম। আগামীতে আরও সুযোগ সুবিধা দেওয়ার জন্য বিমান চেষ্টা করে যাচ্ছে।
২৬ জানুয়ারি থেকে শারজাহ-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু করেছে। ঢাকা-শারজাহ-চট্টগ্রাম রুটে সপ্তাহে চারটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
উল্লেখ্য যে, ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় এয়ারলাইন্সটির পথচলা শুরু হয়। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে অসংখ্য মানুষের সান্নিধ্যে ও ভালবাসায় সিক্ত হয়েছে বিমান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং বিমানের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে একটি ডিসি-৩ উড়োজাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর এখন ২১টি উড়োজাহাজ দ্বারা সমৃদ্ধ হয়েছে।
-B










