ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত চা-বাগানের শহর

সিলেটঃ সিলেটের দর্শনীয় স্থানগুলোতে প্রকৃতি যেন তার সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে। নীল আকাশের নিচে পাহাড়, নদী, ঝরনা, চা-বাগান, বন-বনানী আর বিশাল হাওর দেখতে ভিড় করে সৌন্দর্যপিপাসুরা।
আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে টানা ছুটিতে মৌলভীবাজারের চিরচেনা রূপ আরো প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
এখানে উঁচু-নিচু পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে সবুজের গালিচায় মোড়ানো চা-বাগান, আনারস বাগান আর লেকের নীল জলরাশি দেখে মুগ্ধ হবেন দেশি-বিদেশি পর্যটকরা।
জানা যায়, সিলেটে বেড়াতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের প্রথম পছন্দই হচ্ছে শ্রীমঙ্গল। তাছাড়া ঘুরতে আসা ৯০ শতাংশ পর্যটকই শ্রীমঙ্গলের হোটেল-রিসোর্টে রাত্রী যাপন করে থাকেন।
স্থানীয় হোটেল মালিকদের দেওয়া তথ্যমতে, ঈদের ছুটির শুরু থেকেই শহরের প্রায় সব হোটেল ও রিসোর্টে অগ্রীম বুকিং শুরু হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল লেমন গার্ডেন রির্সোটের নির্বাহী পরিচালক, এল এন.এম.কে. এস.সুলতান বলেন, আমাদের এখানে রুম বুকিং ছাড়াও টিকেট ক্রয় করে পর্যটকরা প্রবেশ করতে পারেন।
গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ-এর জেনারেল ম্যানেজার আরমান খান বলেন, ‘পাহাড়ি অরণ্য আর চা বাগানের কচি পাতায় এখন সবুজের মায়াবী হাতছানি। এই নয়নকাড়া পরিবেশ উপভোগ করতে পর্যটকরা বরাবরের মতোই এখানে ভিড় করবেন।
শ্রীমঙ্গল ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী জানান, ‘ঈদে পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যাতে কেউ কোনো সমস্যায় না পড়েন। লাউয়াছড়া, মাধবপুর লেক, বধ্যভূমি, দার্জিলিং টিলাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলোতে আমাদের টহল ব্যবস্থা সার্বক্ষণিকভাবে চলমান থাকবে।’
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, পর্যটন নগরী হিসেবে খ্যাত শ্রীমঙ্গলের পর্যটন, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে বর্তমান সরকারের ইশতেহার ও নির্দেশনার আলোকে উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে কেন্দ্র করে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল সেবা নির্বিঘœ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
-B










