ই-ভিসা প্রিন্ট নিয়ে জটিলতার অবসান

সৌদি সরকারের নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনলাইনে ভিসা আবেদন করেও প্রিন্ট জটিলতার কারণে বিপাকের মুখোমুখি হচ্ছিলো হজ এজেন্সিগুলো।
সূত্রমতে, ভিসা অনুমোদন হলে অনলাইন থেকে সেই ভিসা প্রিন্ট করতে
হয়। আর এই ই-ভিসা প্রিন্ট করা নিয়ে জটিলতায় পড়ছিল হজ এজেন্সিগুলো। অনলাইনে আবেদন করে ভিসা পাওয়া গেলেও অনেক সময় তা প্রিন্ট করা সম্ভব না হওয়ায় হজযাত্রায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল হজ এজেন্সিগুলোর।
হজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল ফারুক আহমেদ সরদার সোমবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন, সমস্যা ছিল কিন্তু এখন নাই। শুক্র ও শনিবারসহ ছুটির দিনগুলোতেও যে ভোগান্তি ছিল সেটিও এখন নাই।
জানা গেছে, হজযাত্রীদের জন্য সৌদি আরব ২০১৫ সাল থেকে অনলাইনে ভিসা আবেদন ও ই-ভিসা চালু করে। সেই বছর থেকেই ই-ভিসা আবেদন ও ভিসা পাওয়া নিয়ে নানা জটিলতায় পড়তে হয়েছে।
২০১৫ সালে সার্ভারে ত্রুটির কারণে ভিসা পাওয়ায় অনেক হজ যাত্রী শিডিউল ফ্লাইটে যেতে পারেননি। এরপর প্রতি বছরই আবেদন করা থেকে ভিসা প্রিন্ট করা পর্যন্ত নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে হয়েছে।
এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জনসহ সর্বমোট ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
-B










