বাইকে বিপন্ন সৈকত বীচের সামুদ্রিক প্রাণি

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ইসিএ এলাকা হলেও সমুদ্র সৈকতে গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিদিন অসংখ্য কাঁকড়া বীচের চাকায় পিষ্ট হচ্ছে, ডিম পাড়তে আসা কাছিম মরছে, কাছিমের সদ্য বাচ্চা সমুদ্রে ফিরতে গিয়ে মারা পড়ছে।
গাড়ি চাপায় মারা যাচ্ছে শামুক ঝিনুকসহ বিভিন্ন প্রাণী। ক্ষতিগস্থ হচ্ছে সৈকতের কাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক, জলচরপাখিসহ বিভিন্ন প্রকার অমেরুদন্ডী প্রাণির আবাস্থল ও বিচরন স্থান ।
কাঁকড়া বীচ রেজু খালের মোহনা পর্যন্ত সমুদ্র সৈকত এলাকা সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার স্থান। কিন্তু শব্দ দূষন, অমসৃন সৈকত ও রাত্রি বেলার আলোকছটার কারনে কাছিম ডিম পাড়তে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। এতে করে সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ- প্রতিবেশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে ঝাউবাগানের ভিতরেও চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন। এতে করে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ঝাউগাছ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রামু উপজেলার পেঁচারদ্বীপ সৈকত ও হিমছড়ি পাড়ার ব্লক এলাকার কাঁকড়া বিচ সমুদ্র সৈকত এলাকায় অনুমোদনহীনভাবে বীচ বাইক, জীপ ও কার গাড়ি ড্রাইভ করা হয়। ফলে সৈকতের কাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক, জলচরপাখিসহ বিভিন্ন প্রকার অমেরুদণ্ডী প্রাণির প্রজনন, আবাসস্থল ও বিচরণ স্থান ক্ষতিগস্থ হচ্ছে।
হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের সহ-ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর রঞ্জণ সাহা জানান, উক্ত কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মৌখিকভাবে আইনের কথা জানিয়ে দেওয়ার পরও তারা যথারীতি আইন অমান্য করে গাড়িচালিয়ে যাচ্ছেন। হিমছড়ি পাড়ার কাঁকড়া বীচ ও পেঁচার দ্বীপ সমুদ্র সৈকত এলাকায় বীচ বাইক, জীপ ও কার গাড়ি চলাচলের পাশাপাশি রাতে জ্বালানো হয় আগুনও।
অমেরুদন্ডী প্রাণির আবাস্থল ও বিচরন স্থান রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন সহ জনগণ।
-B










