ঢাকা-টরন্টো নিয়মিত ফ্লাইট জুনে, উদ্বোধন ২৬ মার্চ

কয়েক বছর ধরেই ঢাকা-টরন্টো রুটে সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়ে আসছে রাষ্ট্রায়ত্ত উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড। যদিও করোনা মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে মাঝে ঝিমিয়ে পড়ে সব উদ্যোগ। তবে শেষ পর্যন্ত বিমান সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেভাবেই হোক ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসেই ঢাকা-টরন্টো রুটের প্রথম ফ্লাইটটি পরিচালনা করা হবে। এজন্য নেয়া হচ্ছে সব ধরনের প্রস্তুতিও। তবে কানাডা সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, বোর্ডিং সিস্টেম অটোমেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ১২ সপ্তাহ সময় প্রয়োজন। সে হিসেবে ধারাবাহিকভাবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালাতে আগামী জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বিমানকে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল বলেন, প্রবাসীরা টরন্টো ফ্লাইট নিয়ে খুবই ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। আমরা ফ্লাইটটি যতদ্রুত সম্ভব চালু করার চেষ্টা করছি। এই রুটে ফ্লাইট চালাতে গিয়ে ১৭টি শর্ত ছিল কানাডার। এর মধ্যে ১৫টি পূরণ করা হয়েছে। বাকি দুটি শর্তপূরণের জন্য একটি প্রতিনিধি দল এখন কানাডায় অবস্থান করছে। যেভাবেই হোক মুজিববর্ষেই টরন্টো ফ্লাইট চালু করা হবে। আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা যাচাইবাছাই করছে টরেন্টো থেকে ফেরার সময় কোনো দেশে টেকনিক্যাল ল্যান্ডিংয়ের প্রয়োজন আছে কি না। প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। এই রুটের ভাড়া নির্ধারণের কাজ চলছে।
এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানায়, ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে ইকোনমি ক্লাসে সম্ভাব্য রিটার্ন ভাড়া ধরা হয়েছে ১৪০০ মার্কিন ডলার, প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাসে ২৪০০ মার্কিন ডলার এবং বিজনেস ক্লাসে ৪ হাজার মার্কিন ডলার।
এছাড়াও একই রুটে ওয়ানওয়ের ভাড়া হতে পারে ইকোনমি ক্লাসে ১ হাজার মার্কিন ডলার, প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাসে ১৫০০ মার্কিন ডলার এবং বিজনেস ক্লাসে ২৫০০ মার্কিন ডলার।
টরন্টোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং জাপানের নারিতা ফ্লাইট চালুর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।










