কাবুল বিমানবন্দরের দায়িত্ব নিচ্ছে তুরস্ক-কাতার

আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য আফগানিস্তানের রাজধানীতে বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করতে কাতারের সঙ্গে কাজ করছে তুরস্ক।
তালেবান দেশটির নিয়ন্ত্রণ দখল করার পর তুরস্ক কাবুলের বিমানবন্দর চালু করার জন্য প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা সহায়তার প্রস্তাব দেয়। আফগানিস্তানকে বিশ্বের সাথে সংযুক্ত রাখতে এখন বিমানবন্দরটি খোলা রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করছে।
কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনার বিষয়ে অবশেষে মুখ খুলেছে তালেবান। তারা দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর কয়েক মাস বিমানবন্দর পরিচালনার দায়িত্বে কারা থাকবে, তা নিয়ে আলোচনা করেছে।
আফগানিস্তান ইসলামিক আমিরাতের সরকার এখন জানাচ্ছে, তুরস্ক এবং কাতারের সাথে শিগগিরই এ বিষয়ে একটি চুক্তি প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালেবানের ভারপ্রাপ্ত সংস্কৃতি ও তথ্যমন্ত্রী খায়রুল্লাহ খায়রখওয়া বলেন- তুরস্ক, কাতার এবং আফগান সরকার একটি চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে। আমরা আশাকরি অদূর ভবিষ্যতে চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না- জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ইঙ্গিত দেন, এ ব্যাপারে দোহা এবং আঙ্কারা তাদের প্রথম পছন্দ। যদি কিছু ভুল হয় তবেই অন্য দেশকে বিবেচনা করা হবে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তুরস্ক, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও সম্ভবত ত্রিপক্ষীয় পদ্ধতিতে বিমানবন্দরটি পরিচালনা করতে পারে।
ওই সময় কাভুসোগলু বলেছিলেন, তালেবানরা ক্ষমতা দখল করার আগে থেকেই আমরা ন্যাটোর সুযোগের মধ্যে কাবুল বিমানবন্দরের সামরিক শাখার নেতৃত্ব দিচ্ছিলাম। বেসামরিক অংশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি কোম্পানির নেতৃত্বে ছিল।
আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর ব্যাপারে তুর্কি সরকার একটি বাস্তববাদী পন্থা নিয়েছে। কারণ দেশটিতে মানবিক সঙ্কটের নতুন বাস্তবতা উত্থাপিত হয়েছে। আঙ্কারা বলেছে, এ নিয়ে তালেবান নেতাদের সাথে যোগাযোগ খোলা রেখে সে অনুযায়ী তারা এগিয়ে যাবে।
ন্যাটো সদস্য তুরস্ক আফগানিস্তানে তার দূতাবাস চালু রেখেছে। পশ্চিমা দেশগুলো তালেবানের দখলের পরে দূতাবাস প্রত্যাহার করে নেয়। তুরস্ক বার বার বলে আসছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দেয়া শর্ত বিশেষ করে নারী অধিকার, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার মানলে তারা তালেবানের সাথে কাজ করবে।
-B










