বোয়িং চুক্তির পর বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে এয়ারবাস কর্মকর্তার সাক্ষাৎ

-মনিটর রিপোর্ট Date: 05 May, 2026
বোয়িং চুক্তির পর বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে এয়ারবাস কর্মকর্তার সাক্ষাৎ

ঢাকাঃ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের ৪ দিনের মাথায়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস।

তারা বোয়িংয়ের পাশাপাশি বিমানের বহরে এয়ারবাসের এয়ারক্রাফটও যুক্ত থাকার আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি মিক্সড ফ্লিট সম্পর্কে মন্ত্রণালয়কে ব্রিফিং দেন তারা।

মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডওয়ার্ড ডেলাহায়ে।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বিমান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় এয়ারবাস-এর পক্ষ থেকে বিমানের বহরে মিক্সড ফ্লিট গঠনে এয়ারবাসের আগ্রহের কথা প্রকাশ করা হয়। এসময় মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী বিমানের ফ্লিট গঠনে এয়ারবাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সাক্ষাতে মিক্সড ফ্লিট কৌশল ভবিষ্যতে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে কীভাবে অতিরিক্ত নমনীয়তা ও বাণিজ্যিক সুবিধা এনে দিতে পারে সে বিষয়ে ব্রিফ করেছে এয়ারবাস। 

তাদের মতে, ন্যারোবডি ও ওয়াইডবডি উড়োজাহাজের বৈচিত্র্য এয়ারলাইন্সকে রুটভিত্তিক সক্ষমতা নির্ধারণে আরও কার্যকর করে, ফলে স্বল্প ও দীর্ঘ-পাল্লার বাজারে একসঙ্গে প্রতিযোগিতা করা সহজ হয়। একইসঙ্গে যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ ব্যবহারের মাধ্যমে লোড ফ্যাক্টর ও অপারেশনাল দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব হয় এবং ওয়াইডবডি উড়োজাহাজের মাধ্যমে কার্গো আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হয় বলে মন্ত্রীকে জানিয়েছে তারা।

এর আগে, ২০২৪ সালে ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করেছিল বিমান। সে অনুযায়ী বিমান বোর্ড এয়ারবাসের ৪টি এয়ারক্রাফট কেনার অনুমোদন দেয়। যার প্রতিটির দাম প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলার করে। যেখানে প্রতিটি উড়োজাহাজের জন্য অফেরতযোগ্য ৫ মিলিয়ন ডলার প্রতিশ্রুতি ফি দেওয়ার প্রস্তাব থাকে এয়ারবাসের। বিপরীতে বোয়িংয়ের প্রস্তাবে সে মূল্য সব মিলিয়ে ছিলো ১ মিলিয়ন ডলার। 

তবে চুক্তিটি করার আগেই শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। আর এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে অন্তর্বর্তী সরকার। পরে আলোচনাটিই বন্ধ করে দেয় তারা। এরপর বোয়িং এবং এয়ারবাসও নতুন করে উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব দেয়। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শুল্ক সমন্বয়ের কারণে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে বাধ্য হয় সরকার।

-B

Share this post



Also on Bangladesh Monitor