মহেশখালী দ্বীপে এক্সিলারেট এনার্জি'র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কার্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এলএনজি কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি বুধবার কক্সবাজার মহেশখালির জিরো পয়েন্টে এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করে।
স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সহায়তায় এক্সিলারেট এনার্জির কর্মচারীগণ পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় ক্ষয় থেকে দ্বীপটিকে রক্ষা করতে দুই হেক্টর জমিতে ১০,০০০ টি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করেন।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার হাবিবুর রহমান ভূঁইয়াসহ রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বনবিভাগ এবং স্থানীয়প্রশাসন ও মৎস্যজীবিসম্প্রদায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, কর্মসূচির মূল লক্ষ্য উপকূলীয় পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়তা করা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে এই ধরনের কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত করা। উপকূলীয় অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে এক্সিলারেট সেবা ও প্রচেষ্টা সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
এক্সিলারেট এনার্জি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবেশের উন্নয়নে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রম পালনের উদ্দেশ্যে গত বছর বাংলাদেশে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এক্সিলারেট মহেশখালীর ১৫০০ মৎস্যজীবি এবং তাদের পরিবারের মাঝে খাদ্য সরবরাহ, স্থানীয় স্কুলগুলোতে ১৫০০ স্কুলব্যাগ এবং অতি সম্প্রতি ইউ.এস বাংলাদেশ কাউন্সিল এবং প্রজেক্ট কিউর (C.U.R.E.) এর সাথে যৌথ উদ্যোগে বিপুল পরিমাণ কোভিড চিকিৎসা সামগ্রীর অনুদান দিয়েছে।
বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত দুটি এফএসআরইউ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০১৮ সাল থেকে পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানী সরবরাহ করে আসছে এক্সিলারেট। এক্সিলারেট মহেশখালী ফ্লোটিং এলএনজি (এমএলএনজি) টার্মিনাল দেশের প্রথম এলএনজি আমদানি টার্মিনাল যা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়তা করছে।










