পর্যটক টানতে রাঙামাটিতে নতুন প্রকল্প

ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মতো করেই পর্যটক আকর্ষণে রাঙামাটিকে গড়ে তুলতে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
এই প্রকল্পের আওতায় পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ক্যাবল কারের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি সংরক্ষণ করা হবে সবগুলো পাহাড়ি ঝিরি ও ঝর্ণা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে ১০ বছর পর এই প্রকল্পের উপযোগিতা হবে ১২ হাজার কোটি টাকা।
ঘন গাছে ঘেরা সুউচ্চ পাহাড়। আবার সেই পাহাড় বেয়ে নেমে যাচ্ছে পাহাড়ি ঝর্ণা। একেকটি ঝর্ণাকে ঘিরেই গড়ে উঠছে বিনোদন কেন্দ্র। আর ৭৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাপ্তাই লেকতো রয়েছেই। এতো কিছু থাকার পরও শুধুমাত্র সঠিক পরিকল্পনার অভাবেই রাঙামাটি অঞ্চলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটছে না।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী জানান, রাঙামাটিকে ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মতো করেই গড়ে তুলতে চায় সরকার। এরই অংশ হিসাবে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য মাত্র ১২ কোটি টাকা খরচ হলেও বাকি ১ হাজার ১৬১ কোটি টাকা খরচ হবে অবকাঠামোগত উন্নয়নে।
পার্বত্য চট্টগ্রম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা জানান, রাঙামাটি শহরে লেকের পাশেই হবে রেস্তোরা, বালুখালী, সুবলং ঝর্ণা, ঘাগড়া ঝর্ণা এবং কাট্টলী বিলে হবে নতুন পিকনিক স্পট। এছাড়া আসামবস্তি সড়ক ও ফুরোমন পাহাড়ে হবে ক্যাবল কার। সে সাথে শিমুল তলীতে ওয়াচ টাওয়ার এবং মানিকছড়ি থেকে পর্যটন মোটেল পর্যন্ত সড়কের দুপাশে সৌন্দর্য বর্ধনেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আর পর্যটক আকর্ষণে যাতায়াত পথের উন্নয়নের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানান রাঙামাটি পুলিশ সুপার মোদদাছছের হোসেন।
১০ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের ইতোমধ্যে পরিবেশগত সমীক্ষা শেষ হওয়ায় এখন শুরু হবে অব-কাঠামোগত স্থাপনা নির্মাণের কাজ। এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৫ শতাংশ।










