ছুটির দিনে উৎসবমুখর বইমেলা : ১০ম দিনে স্বস্তির আমেজ

ঢাকাঃ দলবেঁধে দর্শনার্থীরা আসবে, বই কিনবে, স্টলের সামনে পাঠকদের উপচে পড়া ভিড়ে সফলতার দিকে ধাবিত হবে বইমেলা এমন প্রত্যাশার প্রহর গুনছিলেন প্রকাশকরা। অবশেষে শনিবার (৭ মার্চ) সরকারি ছুটির দিনে, দশম দিনে এসেছিল প্রকাশকদের কাক্সিক্ষত সেই দিন।
দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। সন্ধ্যার দিকে মেলায় নামে বইপ্রেমী মানুষের ঢল। বিভিন্ন স্টলে পাঠক-ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি দেখা যায়।
এদিন ছিল উপচে পড়া ভিড়, হাতে হাতে ছিল বইয়ের ব্যাগ। ফলে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন বিক্রয়কর্মীরা। সকাল ১১টায় মেলার প্রবেশদ্বার উন্মোচনের পর থেকে প্রবেশদ্বার বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত স্বস্তির মেজাজে ছিলেন প্রকাশকরা। তারা চান অব্যাহত থাকুক এ ধারাবাহিকতা।
সন্ধ্যায় কথা হয় প্রকাশনা সংস্থা বর্ণমালা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মামুনুর রশীদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আজকে (৭ মার্চ) মেলার পরিবেশ, বিক্রি ও লোকজনের উপস্থিতিতে আমি ব্যক্তিগতভাবে আনন্দিত। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে এবারও আমরা একটি সফল বইমেলা পাব বলে মনে করি।
দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ও বইয়ের বিকিকিনিই বুঝিয়ে দিল রমজান মেলায় কোনো প্রভাব ফেলে না। আমরা বলতে পারব রমজানেও মেলা হতে পারে।’
সূচীপত্র প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী সাঈদ বারী বলেন, ‘রমজানে মেলার আয়োজন নিয়ে প্রকাশকরা যতটা হতাশ ছিলেন সেই হতাশা কেটে গেছে। আজ (৭ মার্চ) দর্শনার্থী ও বইপ্রেমীরা বুঝিয়ে দিয়েছে মেলার ক্ষেত্রে রমজান কোনো বাধা হতে পারে না। তবে, আমি চাই এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক।’
এদিন ছিল মেলার চতুর্থ শিশুপ্রহর। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিশুপ্রহরে শিশুদের দুরন্তপনা শেষে বিকালে বড়দের পদচারণে ভিন্ন এক রূপ পায় একুশের বইমেলা।
-B










