পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশকে টপকে গেল ভারত, পাকিস্তান

শেষ পর্যন্ত বিশ্বে পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশকে টপকে গেল ভারত, পাকিস্তান।
ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৮ শতাংশের কিছু বেশি। একই সময়ে ভারত ও পাকিস্তানের রপ্তানি বেড়েছে ২২ ও ২৮ শতাংশ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে তৈরি পোশাকের রপ্তানি আদেশ বাড়ছে। তবে ইউরোপের পোশাক আমদানির তথ্য সংরক্ষণকারী ইউরোস্ট্যাটের গত জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসের পরিসংখ্যান বলছে, ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের চেয়েও বেশি হারে রপ্তানি বেড়েছে প্রতিযোগী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের।
ইউরোপের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির হিসাব সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ওটেক্সার তথ্যও বলছে, আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও বাংলাদেশের তুলনায় ভারত ও পাকিস্তান থেকে বেশি হারে রপ্তানি হয়েছে।
দেশে তৈরি পোশাকের প্রধান কাঁচামাল সুতার দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্তান ও ভারত এ সুবিধা নিয়েছে বলে মনে করছেন তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা। তারা বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় দেশে সুতার দাম ক্ষেত্রবিশেষে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। ফলে মূল্য সুবিধায় ক্রেতারা সেখানে ঝুঁকছে।
ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ইউরোপ বিশ্ববাজার থেকে প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলারের পোশাক পণ্য আমদানি করেছে, যা পূর্বের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি।
পোশাক শিল্প মালিকরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারের তুলনায় বাংলাদেশের টেক্সটাইল মিল মালিকরা সুতার দাম বেশি হারে বাড়িয়ে অতিমুনাফা করেছেন। যদিও স্পিনিং মিল মালিকরা বরাবরই বলে আসছিলেন যে, তুলার দামের ভিত্তিতেই সুতার দাম বাড়ানো হয়েছে।










