রেড লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়েছে ভারত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ (মঙ্গলবার)এক বার্তায় জানিয়েছেন ওমিক্রনের সংক্রমণ নিয়ে বাংলাদেশকে উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রাখা ভারত ঢাকার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির রেড লিস্ট থেকে বাংলাদেশের নাম প্রত্যাহার করেছে।
ড. মোমেন জানান, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, আমাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের রেড লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়েছে।
ওমিক্রনের সংক্রমণ নিয়ে বাংলাদেশসহ ১২টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে উচ্চ ঝুঁকির একটি তালিকা তৈরি করে ভারত। ওইসব দেশ থেকে দিল্লির বিমানবন্দরে আসা লোকজনের করোনা পরীক্ষা রোববার (২৯ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো।
তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, চীন, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, সিঙ্গাপুর, হংকং ও ইসরায়েল। মঙ্গলবার বাংলাদেশের নাম সরিয়ে নেওয়া হয়।
ভারতও ওমিক্রন নিয়ে ঝুঁকি নিতে নারাজ। আগে ভাগেই জারি সতর্কতা। কেন্দ্রীয় সরকার রোববার (২৮ নভেম্বর) রাত থেকেই দেশটির প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের আগের ১৪ দিনের ট্রাভেল হিস্ট্রি জমা করতে হবে। অর্থাৎ ভারতে আসার আগের ১৪ দিন কোথায় কোথায় গিয়েছেন, তা জানাতে হবে। সঙ্গে কোভিড নেগেটিভ রিপোর্টও বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করেছে ভারত।
তালিকায় বাংলাদেশ-সহ যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, চীনসহ ইউরোপের দেশগুলোয় আছে। তবে এ নির্দেশিকা এখনই বহাল করা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার আরও একবার ভেবে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের করোনা বিশেজ্ঞদের।
তবে সরকারি নতুন গাইডলাইন অনুসারে, যেসব দেশে ওমিক্রনের সন্ধান মিলেছে সে সব দেশের শুধু কোভিড নেগেটিভ রিপোর্টেই হবে না। তাদের বিমানবন্দরে আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামুলক। পাশাপাশি সাত দিনের কোয়ারেন্টিনও বাধ্যতামূলক। বুধবার (০১ ডিসেম্বর) থেকে ভারতে চালু হচ্ছে এই নতুন নিয়ম।










