সংকটের গুজবে তেলের পাম্পে দীর্ঘ ভিড়

ঢাকাঃ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় দেশে তেল সংকটের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এর প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে পড়েছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন।
সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পরিস্থিতি সামলাতে যানবাহনে তেল বিক্রির কোটা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
সরকার পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। তেল নিয়ে অহেতুক আতঙ্ক না ছড়াতে আহ্বান এবং বাড়তি তেল মজুত না করতে চালকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ।
যানভিত্তিক কোটা নির্ধারণ
পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বিপিসি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল দেওয়া যাবে।
ফিলিং স্টেশনগুলোকে জ্বালানি বিক্রির সময়, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে নগদ স্মারক দিতে বলেছে বিপিসি। একই সঙ্গে পুনরায় জ্বালানি নেওয়ার সময় আগের ক্রয়ের বিল জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ এবং ডিপোতে মজুত ও বিক্রির তথ্য নিয়মিত জমা দিতে বলেছে সংস্থাটি।
তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন
রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ছুটির দিনেও উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। পাম্প থেকে মূল রাস্তা পর্যন্ত চলে এসেছে গাড়ির লাইন। ফলে রাস্তায় তৈরি হয়েছে যানজট।
আজ রবিবার (৮ মার্চ) সকালে মতিঝিলের পাশে করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। স্টেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সোহাগ জানান, ডিপো থেকে আগের তুলনায় তেল কম আসছে। আবার গ্রাহকরা বেশি তেল চাচ্ছেন।
-B










