ধূমপান রোধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে: পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকার সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, এই কাজে সহযোগিতার জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বিশেষ করে ধূমপান প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।দেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হয় না, বিশেষ করে রেস্তোরাঁয় ধূমপানের জন্য নির্দিষ্ট স্থান রাখার বিধান সংশোধনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কাজ করবে।
গতকাল মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের যৌথ আয়োজনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘রেস্তোরাঁয় ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ বিলুপ্তিকরণে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সভায় বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধূমপান স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি করে। এ ছাড়া অধূমপায়ীরা পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতির শিকার হন। যথাযথ সচেতনতাই পারে সকলের মধ্যে ধূমপানের ক্ষতির বিষয়টি তুলে আনতে। আর তাই তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্টের সঙ্গে আমরাও একমত পোষণ করে কাজ করছি।
জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী (অতিরিক্ত সচিব) হোসেন আলী খোন্দকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ধাপে ধাপে আমাদেরকে নানা রকম উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এর মধ্যে আইন সংশোধন অন্যতম। এ লক্ষ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা ৭ সংশোধন করে সব ধরনের পাবলিক প্লেসে ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ নিষিদ্ধ করা এবং ধূমপানসহ যে কোনো ধরনের তামাক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা উচিত।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হান্নান মিয়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী হোসেন আলী খোন্দকার, ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশের লিড পলিসি এডভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের জেনারেল সেক্রেটারি ড. এস এম খলিলুর রহমান এবং ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের হেড অব প্রোগ্রামস-বাংলাদেশ মো. শফিকুল ইসলাম। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়ক মোঃ শরিফুল ইসলাম।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়ক মো. শরিফুল ইসলাম।










